রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ঘোষণা করেছেন, ইউক্রেইনে রাশিয়ার সামরিক অভিযান চলতে থাকবে। তিনি বলেছেন, ইউক্রেইন এবং ইউরোপীয় রাজনীতিবিদরা যদি শান্তি প্রক্রিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাব নিয়ে আলোচনায় না আসে, তাহলে রাশিয়া জোর করে ইউক্রেইনের আরও ভূমি দখল করে নেবে।
পুতিন রাশিয়ায় প্রতিরক্ষামন্ত্রণালয়ের এক বার্ষিক বৈঠকে বলেন, রাশিয়া সব ফ্রন্টে এগিয়ে চলেছে এবং তাদের লক্ষ্য জোর করে কিংবা কূটনৈতিক পন্থায় যেভাবেই হোক অর্জন করবে। তিনি আরও বলেন, প্রতিপক্ষ এবং তাদের বিদেশি মিত্ররা বাস্তবিক শান্তি আলোচনায় জড়িত হতে না চাইলে রাশিয়া তাদের ঐতিহাসিক সব ভূমি সামরিক পন্থায় মুক্ত করবে।
ইউক্রেইন এবং এর পশ্চিমা মিত্রদেশগুলো রাশিয়ার শুরু করা যুদ্ধকে একটি দেশের সার্বভৌমত্বের লঙ্ঘন এবং বিনা উস্কানিতে আগ্রাসন হিসাবেই দেখে। রাশিয়া জানিয়েছে, ইউক্রেইনের প্রায় ১৯ শতাংশ ভূখন্ড তাদের দখলে, যার মধ্যে আছে ক্রাইমিয়া উপদ্বীপও, যেটা তারা ২০১৪ সালে দখল করে নিয়েছিল।
ইউরোপীয় নেতারা বলেছেন, তারা কিইভের পাশে আছেন। আর ইউক্রেইনে যুদ্ধ শুরু করার জন্য রাশিয়াকে পুরষ্কৃত করা উচিত নয়। তাছাড়া, রাশিয়ার আসলে শান্তি আলোচনায় আসার ইচ্ছা নেই বলে মনে করা হচ্ছে।
এই ঘটনার পর থেকে ইউক্রেইন এবং রাশিয়ার মধ্যে উত্তেজনা বেড়ে গেছে। ইউক্রেইন সরকার রাশিয়ার সামরিক অভিযানের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়েছে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রও রাশিয়ার সামরিক অভিযানের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়েছে।
রাশিয়া এবং ইউক্রেইনের মধ্যে এই উত্তেজনা আরও বাড়তে পারে। এই ঘটনার পর থেকে ইউক্রেইন এবং রাশিয়ার মধ্যে শান্তি আলোচনা করা আরও কঠিন হয়ে উঠেছে।
ইউক্রেইনের সাথে রাশিয়ার সম্পর্ক আরও খারাপ হতে পারে। রাশিয়া ইউক্রেইনের আরও ভূমি দখল করতে পারে। এই ঘটনার পর থেকে ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র রাশিয়ার বিরুদ্ধে আরও কঠোর পদক্ষেপ নিতে পারে।
এই ঘটনার পর থেকে বিশ্ব রাজনীতিতে উত্তেজনা বেড়ে গেছে। রাশিয়া এবং ইউক্রেইনের মধ্যে এই উত্তেজনা আরও বাড়তে পারে। এই ঘটনার পর থেকে বিশ্ব রাজনীতিতে আরও অনিশ্চয়তা বেড়ে গেছে।



