এনসিপির ধানমন্ডি থানা শাখার যুগ্ম সমন্বয়কারী জান্নাতারা রুমীর মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ঢাকার জিগাতলা পুরাতন কাঁচাবাজার রোড এলাকায় একটি ছাত্রী হোস্টেলে তার মৃতদেহ পাওয়া যায়। পুলিশ জানিয়েছে, রুমীর ঘরে ডিপ্রেশনের ওষুধ পাওয়া গেছে।
রুমীর পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, তিনি মানসিকভাবে বিপর্যস্ত ছিলেন। তার দুটি বিবাহ হয়েছিল, কিন্তু উভয় বিবাহই ভেঙে গেছে। তার দুটি সন্তানও রয়েছে, যারা তাদের বাবার সাথে থাকেন। রুমীর পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, তিনি তার সন্তানদের নিয়ে হতাশ ছিলেন।
এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সামান্তা শারমিন জানিয়েছেন, রুমী ক্রমাগত হুমকি ও বুলিংয়ের শিকার হয়েছেন। তিনি বলেছেন, রুমী পুলিশের কাছে অভিযোগ দিয়েছিলেন, কিন্তু তার কোনো সুরাহা পাননি। সামান্তা শারমিন জানিয়েছেন, রুমীর মৃত্যু এনসিপির জন্য একটি বড় ক্ষতি।
পুলিশ রুমীর মৃত্যুর কারণ তদন্ত করছে। এনসিপি রুমীর মৃত্যুকে একটি বড় ক্ষতি হিসেবে বিবেচনা করছে। দলটি রুমীর পরিবারের সদস্যদের সহায়তা করার জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সামান্তা শারমিন বলেছেন, রুমীর মৃত্যু এনসিপির জন্য একটি বড় ক্ষতি। তিনি বলেছেন, রুমী একজন নিবেদিত ও সত্যপ্রেমিক নেত্রী ছিলেন। তিনি বলেছেন, রুমীর মৃত্যু এনসিপির জন্য একটি বড় ক্ষতি, কিন্তু দলটি রুমীর আদর্শের প্রতি অঙ্গীকারবদ্ধ।
রুমীর মৃত্যু এনসিপির জন্য একটি বড় ক্ষতি। দলটি রুমীর পরিবারের সদস্যদের সহায়তা করার জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এনসিপি রুমীর আদর্শের প্রতি অঙ্গীকারবদ্ধ এবং তার স্বপ্ন পূরণের জন্য কাজ করবে।
পুলিশ রুমীর মৃত্যুর কারণ তদন্ত করছে। এনসিপি রুমীর মৃত্যুকে একটি বড় ক্ষতি হিসেবে বিবেচনা করছে। দলটি রুমীর পরিবারের সদস্যদের সহায়তা করার জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এনসিপি রুমীর আদর্শের প্রতি অঙ্গীকারবদ্ধ এবং তার স্বপ্ন পূরণের জন্য কাজ করবে।



