লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ উপজেলায় একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের নির্বাচনী টক শোতে এক প্রার্থীকে প্রশ্ন করায় সমর্থকদের ক্ষোভ তৈরি হয়। এতে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী আন্দোলনের সমর্থকদের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া, হাতাহাতি ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।
রামগঞ্জ সরকারি কলেজ মাঠে বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের টক শো চলছিল। এ সময় একজন সাধারণ শিক্ষার্থী ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী জাকির হোসেন পাটওয়ারীকে প্রশ্ন করেন। এতে ইসলামী আন্দোলনের সমর্থকেরা ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন। এ নিয়ে বিএনপি, জামায়াত ও ইসলামী আন্দোলনের সমর্থকদের সঙ্গে হাতাহাতি, পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে উভয় পক্ষের পাঁচজন আহত হন।
রামগঞ্জ উপজেলা জামায়াতে ইসলামের আমির নাজমুল হাসান ও ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী জাকির হোসেন পাটোয়ারী জানান, নিজেদের নেতা-কর্মীদের মধ্যে একটু ভুল–বোঝাবুঝি হয়েছে। সিনিয়র নেতাদের হস্তক্ষেপে নেতা-কর্মীরা শান্ত হন। উপজেলা বিএনপির সভাপতি মোজাম্মেল হোসেন বলেন, কর্মীরা একটু উত্তেজিত হয়েছেন। কিছু চেয়ার ভাঙচুর করেছেন তাঁরা। পরে সবাই শান্ত হয়ে গেছেন।
রামগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. ফিরোজ উদ্দিন চৌধুরী বলেন, ‘সামান্য হাতাহাতি ও পাল্টাপাল্টি ধাওয়া হয়েছে। বড় ধরনের সংঘর্ষ ঘটেনি। তবে কেউ এখনো থানায় কোনো অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
এই ঘটনার পর রাজনৈতিক পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, এই ধরনের ঘটনা নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করে তুলবে। তাঁরা আরও বলছেন, রাজনৈতিক দলগুলোকে তাদের কর্মীদের নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে এবং নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখতে হবে।
এদিকে, নির্বাচন কমিশন এই ঘটনার তদন্ত করছে। তারা বলছেন, এই ধরনের ঘটনা নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে অস্থিতিশীল করে তুলবে। তাঁরা আরও বলছেন, রাজনৈতিক দলগুলোকে তাদের কর্মীদের নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে এবং নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখতে হবে।



