জাতীয় ছাত্র শক্তি হোম উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরীর পদত্যাগ দাবি করেছে। ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান হাদির ওপর হামলার সাথে জড়িতদের গ্রেফতার না হওয়ার কারণে এই দাবি তোলা হয়েছে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের ভিত্তির কাছে হোম উপদেষ্টার একটি পুতুল পোড়ানো হয়েছে। এর আগে শাহবাগ মোড়ে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়েছিল। মিছিলটি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের মধ্য দিয়ে যায় এবং একটি সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
সমাবেশে জাতীয় ছাত্র শক্তির সভাপতি জাহিদ আহসান বলেছেন, হাদির হত্যাকারীদের গ্রেফতার করা উচিত। শেখ হাসিনার বিচার বাংলাদেশে হবে, কিন্তু জাহাঙ্গীরের মাধ্যমে নয়। আমরা জাহাঙ্গীরের কাছে কোনো দাবি করছি না, কারণ তিনি এই পদে অযোগ্য।
জাতীয় ছাত্র শক্তির এই বিক্ষোভ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে। ছাত্ররা হোম উপদেষ্টার পদত্যাগ দাবি করছে এবং হাদির হত্যাকারীদের গ্রেফতারের জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছে।
এই বিক্ষোভের পর সরকার কী পদক্ষেপ নেবে তা নিয়ে অনেকে উদ্বিগ্ন। কেউ কেউ মনে করছেন যে সরকার হোম উপদেষ্টাকে পদত্যাগের জন্য চাপ দিতে পারে, অন্যদিকে কেউ কেউ মনে করছেন যে সরকার ছাত্রদের দাবি পূরণ করবে না।
এই পরিস্থিতি বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করে তুলবে বলে মনে করা হচ্ছে। সরকার এবং বিরোধী দলগুলোর মধ্যে উত্তেজনা বাড়বে এবং দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে ধরা হবে।
জাতীয় ছাত্র শক্তির এই বিক্ষোভ বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা হিসেবে চিহ্নিত হবে। এই বিক্ষোভ দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে পরিবর্তন করতে পারে এবং সরকারকে ছাত্রদের দাবি পূরণ করতে বাধ্য করতে পারে।
এই ঘটনার পর বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি কেমন হবে তা নিয়ে সবাই উদ্বিগ্ন। সরকার কীভাবে এই পরিস্থিতি মোকাবেলা করবে তা নিয়ে অনেকে অপেক্ষা করছেন।
জাতীয় ছাত্র শক্তির এই বিক্ষোভ বাংলাদেশের রাজনৈতিক ভবিষ্যতের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত দিচ্ছে। এই বিক্ষোভ দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে পরিবর্তন করতে পারে এবং সরকারকে ছাত্রদের দাবি পূরণ করতে বাধ্য করতে পারে।



