সরকার ২৭তম বিসিএস ব্যাচ থেকে ৬৭৩ জন ক্যাডার অফিসার নিয়োগ দিয়েছে। এদের সিনিয়রিটি থাকবে, তবে তারা কোনো পিছনের আর্থিক সুবিধা পাবেন না। পাবলিক প্রশাসন মন্ত্রণালয় একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে।
বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশনের (পিএসসি) সুপারিশের ভিত্তিতে ২৭তম বিসিএস পরীক্ষার প্রথম ধাপ থেকে এসব প্রার্থীকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তারা দুই বছরের প্রবেশনারি পিরিয়ড কাটাবেন। প্রয়োজন হলে সরকার এই প্রবেশনারি পিরিয়ড দুই বছর পর্যন্ত বাড়াতে পারবে।
নিয়োগপ্রাপ্ত এসব ক্যাডার অফিসারদের প্রশাসনিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (বিপিএটিসি) বা অন্য সরকারি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানে প্রশিক্ষণ নিতে হবে। এরপর তারা তাদের নিজ নিজ কাজের সাথে সম্পর্কিত প্রতিষ্ঠানে পেশাগত ও বিশেষায়িত প্রশিক্ষণ নেবেন।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সিনিয়রিটি বজায় রাখতে নিয়োগ আদেশটি তাদের ব্যাচের প্রথম নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি জারির তারিখ থেকেই কার্যকর হবে। এছাড়াও বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, নিয়োগ, প্রশিক্ষণ ও অন্যান্য বিষয়ে বিদ্যমান সমস্ত নিয়ম-কানুন মেনে চলতে হবে।
এই নিয়োগ বাংলাদেশের প্রশাসনিক কাঠামোতে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। এটি দেশের প্রশাসনিক ক্ষমতাকে আরও শক্তিশালী করবে এবং দেশের উন্নয়নে অবদান রাখবে।
এই নিয়োগের ফলে দেশের প্রশাসনিক পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নে নতুন দিক যুক্ত হবে। এটি দেশের প্রশাসনিক ব্যবস্থাকে আরও সুষ্ঠু ও দক্ষ করে তুলবে।
এই নিয়োগ সম্পর্কে বিভিন্ন মহলের প্রতিক্রিয়া বিভিন্ন রকম। কেউ কেউ এটিকে স্বাগত জানিয়েছেন, অন্যরা এর সমালোচনা করেছেন। তবে একথা নিশ্চিত যে এই নিয়োগ বাংলাদেশের প্রশাসনিক ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা হিসেবে চিহ্নিত হবে।
এই নিয়োগের ফলে দেশের প্রশাসনিক ব্যবস্থায় নতুন দিক যুক্ত হবে। এটি দেশের উন্নয়নে অবদান রাখবে এবং দেশের প্রশাসনিক ক্ষমতাকে আরও শক্তিশালী করবে।
সরকারের এই সিদ্ধান্ত দেশের প্রশাসনিক ব্যবস্থার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এটি দেশের প্রশাসনিক ক্ষমতাকে আরও শক্তিশালী করবে এবং দেশের উন্নয়নে অবদান রাখবে।
এই নিয়োগের ফলে দেশের প্রশাসনিক ব্যবস্থায় নতুন দিক যুক্ত হবে। এটি দেশের উন্নয়নে অবদান রাখবে এবং দেশের প্রশাসনিক ক্ষমতাকে আরও শক্তিশালী করবে।
এই নিয়োগ সম্পর্কে বিভিন্ন মহলের প্রতিক্রিয়া বিভিন্ন রকম। কেউ কেউ এটিকে স্বাগত জানিয়েছেন, অন্যরা এর সমালোচনা করেছেন। তবে একথা নিশ্চিত যে এই নিয়োগ বাংলাদেশের প্রশাসনিক ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা হিসেবে চিহ্নিত হবে।
এই নিয়োগের ফলে দেশের প্রশাসনিক ব্যবস্থায় নতুন দিক যুক্ত হবে। এটি দেশের উন্নয়নে অবদান রাখবে এবং দেশের প্রশাসনিক ক্ষমতাকে আরও শক্তিশালী করবে।
সরকারের এই সিদ্ধান্ত দেশের প্রশাসনিক ব্যবস্থার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এটি দেশের প্রশাসনিক ক্ষমতাকে আরও শক্তিশালী করবে এবং দেশের উন্নয়নে অবদান রাখবে।
এই নিয়োগ সম্পর্কে বিভিন্ন মহলের প্রতিক্রিয়া বিভিন্ন রকম। কেউ কেউ এটিকে স্বাগ



