সুদানের বড় শহরগুলো, যার মধ্যে রাজধানী খার্তুম এবং উপকূলীয় শহর পোর্ট সুদান, ড্রোন হামলার কারণে বিদ্যুৎ বিভ্রাটের শিকার হয়েছে। দেশের পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত একটি গুরুত্বপূর্ণ বিদ্যুৎকেন্দ্রে ড্রোন হামলার ফলে এই বিদ্যুৎ বিভ্রাট দেখা দিয়েছে।
এই বিদ্যুৎকেন্দ্রটি সরকার সমর্থিত সুদানি সশস্ত্র বাহিনীর (এসএএফ) নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং প্যারামিলিটারি র্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেস (আরএসএফ) দ্বারা আক্রান্ত হচ্ছে। সুদানে চলমান গৃহযুদ্ধের কারণে এই অঞ্চলে এই ধরনের হামলা ঘটছে।
বিদ্যুৎকেন্দ্রে আগুন লাগার পর দুইজন বেসামরিক প্রতিরক্ষা সদস্য নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন বেশ কয়েকজন উদ্ধারকারী। এই হামলার ফলে সুদানের বিভিন্ন শহরে বিদ্যুৎ বিভ্রাট দেখা দিয়েছে।
সুদানে চলমান গৃহযুদ্ধে এই হামলা একটি নতুন মাত্রা যোগ করেছে। এই গৃহযুদ্ধে ইতিমধ্যেই অনেক মানুষ নিহত হয়েছেন। সুদানের কোর্ডোফান অঞ্চলে ড্রোন হামলায় কমপক্ষে 104 জন নিহত হয়েছেন।
সুদানে চলমান গৃহযুদ্ধ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। জাতিসংঘ সুদানে শান্তিরক্ষা মিশন পরিচালনা করছে। এই মিশনে বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশের শান্তিরক্ষীরা কাজ করছেন।
সুদানে চলমান গৃহযুদ্ধে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। এই গৃহযুদ্ধ থামাতে এবং সুদানে শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহায়তা প্রয়োজন।
সুদানের গৃহযুদ্ধে ড্রোন হামলা একটি নতুন মাত্রা যোগ করেছে। এই হামলার ফলে সুদানের বিভিন্ন শহরে বিদ্যুৎ বিভ্রাট দেখা দিয়েছে। এই গৃহযুদ্ধে ইতিমধ্যেই অনেক মানুষ নিহত হয়েছেন। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহায়তা প্রয়োজন সুদানে শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে।
সুদানের গৃহযুদ্ধ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। জাতিসংঘ সুদানে শান্তিরক্ষা মিশন পরিচালনা করছে। এই মিশনে বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশের শান্তিরক্ষীরা কাজ করছেন। সুদানে শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহায়তা প্রয়োজন।



