বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুর ঘোষণা করেছেন যে ২০ কোটি টাকার বেশি সব ঋণ নতুন করে যাচাই করা হবে। এসব ঋণের জামানত ঠিক আছে কি না, তা দেখা হবে। না থাকলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও ব্যাংক পরিচালকদের জবাবদিহি করতে হবে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আরও বলেছেন যে বাংলাদেশ ব্যাংকের স্বাধীনতা দরকার। ভালো নেতা দরকার। এ জন্য সরকারের কাছে আইন প্রস্তাব করা হয়েছে। এই সরকার এই আইন পাস করে দিলে সব করা যাবে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আরও বলেছেন যে পাঁচ ব্যাংক একীভূত করার পাশাপাশি ৯ আর্থিক প্রতিষ্ঠান অবসায়ন করা হচ্ছে। এসব প্রতিষ্ঠানের সব সাধারণ আমানতকারী পুরো টাকা ফেরত পাবেন। প্রাতিষ্ঠানিক আমানতকারী একটা অংশ ফেরত পাবে।
বেসরকারি গবেষণাপ্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) নির্বাহী পরিচালক ফাহমিদা খাতুন বলেছেন যে আসন্ন নির্বাচন একটি সন্ধিক্ষণ। রাজনৈতিক দলগুলোকে তাদের নির্বাচনী ইশতেহারে ব্যাংকিং খাতকে কীভাবে সুশৃঙ্খল ও শক্তিশালী করা হবে, সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ ও সুনির্দিষ্ট প্রতিশ্রুতি থাকতে হবে।
ফাহমিদা খাতুন আরও বলেছেন যে রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের পরিষ্কার করতে হবে যে তারা কি আগের মতো ক্ষমতাশালী পুঁজিপতিদের হাতে ব্যাংকিং খাতকে ব্যবহার করতে দেবেন, নাকি জনগণের কল্যাণে, কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে এবং ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের পুঁজি জোগানের জন্য এই খাতকে ব্যবহার করবেন।
মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের এমডি সৈয়দ মাহবুবুর রহমান বলেছেন যে ২০১৭ সালে ইসলামী ব্যাংক দখলের মাধ্যমে ব্যাংক খাত ভঙ্গুর হয়ে পড়ে। এ জন্য এখন খেলাপি ঋণ ৩৬ শতাংশ পৌঁছে গেছে। এখন যে সংস্কার হচ্ছে, তা রাজনৈতিক সরকার কতটা এগিয়ে নেবে—তা গুরুত্বপূর্ণ।
বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের ঘোষণা এবং বেসরকারি গবেষণাপ্রতিষ্ঠানের মন্তব্য থেকে বোঝা যায় যে ব্যাংকিং খাতের সংস্কার একটি জটিল প্রক্রিয়া। এটি রাজনৈতিক সরকারের সক্রিয় ভূমিকা এবং সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপের প্রয়োজন। ব্যাংকিং খাতের সংস্কার সফল হলে এটি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।
বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে ব্যাংকিং খাতের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ব্যাংকিং খাতের সংস্কার করলে এটি দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে অবদান রাখতে পারে। এজন্য রাজনৈতিক সরকারকে ব্যাংকিং খাতের সংস্কারের জন্য সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ নিতে হবে। ব্যাংকিং খাতের সংস্কার করলে এটি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের ঘোষণা এবং বেসরকারি গবেষণাপ্রতিষ্ঠানের মন্তব্য থেকে বোঝা যায় যে ব্যাংকিং খাতের সংস্কার একটি জটিল প্রক্রিয়া। এটি রাজনৈতিক সরকারের সক্রিয় ভূমিকা এবং সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপের প্রয়োজন। ব্যাংকিং খাতের সংস্কার সফল হলে এটি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। এজন্য রাজনৈতিক সরকারকে ব্যাংকিং খাতের স



