জি৭ দেশগুলির পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা হংকংয়ের কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে গণতন্ত্র সমর্থক জিমি লাইয়ের বিচারের নিন্দা জানিয়েছে। এই ঘটনায় চীনা কর্তৃপক্ষ এটিকে ‘চীনের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ’ বলে মন্তব্য করেছে।
সোমবার, একটি বিচারক প্যানেল জিমি লাইকে দুটি অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত করেছে। তিনি বিদেশী শক্তির সাথে মিলিত হয়ে জাতীয় নিরাপত্তার হুমকি সৃষ্টি এবং বিদ্রোহী উপাদান প্রকাশের অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন। জিমি লাইকে পরবর্তী বছরের শুরুতে দন্ডিত করা হবে এবং তার মুখোমুখি হতে হবে আজীবন কারাদণ্ডের।
জি৭ দেশগুলির সম্মিলিত বিবৃতিতে হংকংয়ের কর্তৃপক্ষকে জিমি লাইকে অবিলম্বে মুক্ত করার আহ্বান জানানো হয়েছে। জি৭ দেশগুলি হংকংয়ে অধিকার, স্বাধীনতা এবং স্বায়ত্তশাসনের অবনতির বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।
চীনা কর্তৃপক্ষ এই বিবৃতিকে ‘চীনের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ’ বলে মন্তব্য করেছে। তারা জি৭ দেশগুলিকে চীনের সার্বভৌমত্ব এবং হংকংয়ের আইনের শাসন সম্মান করার আহ্বান জানিয়েছে।
জিমি লাই ২০১৯ এবং ২০২০ সালে হংকংয়ে সংঘটিত বিক্ষোভের সময় গ্রেফতার হয়েছিলেন। তিনি পাঁচ বছর ধরে আটক ছিলেন। ২০২০ সালে, চীনা কর্তৃপক্ষ হংকংয়ে একটি জাতীয় নিরাপত্তা আইন প্রবর্তন করেছিল। এই আইনটি বিচ্ছিন্নতাবাদ, বিপ্লব, সন্ত্রাসবাদ এবং বিদেশী সংস্থার সাথে মিলিত হওয়াকে গুরুতর অপরাধ হিসেবে গণ্য করে।
জিমি লাইয়ের মামলাটি এই আইনটির সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য ব্যবহার। এই ঘটনাটি হংকংয়ের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলবে। জি৭ দেশগুলির বিবৃতিটি চীনের সাথে তাদের সম্পর্কের উপর প্রভাব ফেলতে পারে।
জিমি লাইয়ের মামলাটি হংকংয়ের গণতন্ত্র আন্দোলনের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা। এই ঘটনাটি হংকংয়ের রাজনৈতিক ভবিষ্যতের উপর প্রভাব ফেলবে। জি৭ দেশগুলির বিবৃতিটি চীনের সাথে তাদের সম্পর্কের উপর প্রভাব ফেলতে পারে।
জিমি লাইয়ের মামলাটি বিশ্বব্যাপী মনোযোগ আকর্ষণ করেছে। এই ঘটনাটি হংকংয়ের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলবে। জি৭ দেশগুলির বিবৃতিটি চীনের সাথে তাদের সম্পর্কের উপর প্রভাব ফেলতে পারে।



