মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি প্রবাসীদের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। তারা দেশের অর্থনীতিতে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখছে। গত বছর মালয়েশিয়া থেকে বাংলাদেশে প্রেরিত রেমিট্যান্সের পরিমাণ ছিল ৩.০৩ বিলিয়ন ডলার।
বাংলাদেশি প্রবাসীরা মালয়েশিয়ায় বিভিন্ন ধরনের চাকরি করছে। তারা রেস্তোরাঁ, কারখানা, নির্মাণ সাইটে কাজ করছে। কিন্তু তারা অনেক সময় শোষণ ও দুর্ব্যবহারের শিকার হয়। তাদের অনেকে ঋণের বোঝা নিয়ে দেশ ছাড়ছে।
একজন বাংলাদেশি প্রবাসী বলেছেন, তিনি মালয়েশিয়ায় একটি রেস্তোরাঁয় কাজ করছেন। তিনি প্রতি মাসে ৫৭,০০০ টাকা উপার্জন করছেন। কিন্তু তিনি এখনও তার ঋণ পরিশোধ করতে পারেননি। তিনি কুয়ালালামপুরে একটি ভাড়া বাসায় থাকছেন।
বাংলাদেশি প্রবাসীরা মালয়েশিয়ায় কর্মসংস্থানের সন্ধান করছে। তারা দেশের অর্থনীতিতে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখছে। কিন্তু তারা অনেক সময় শোষণ ও দুর্ব্যবহারের শিকার হয়।
মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি প্রবাসীদের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। তারা দেশের অর্থনীতিতে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখছে। গত বছর মালয়েশিয়া থেকে বাংলাদেশে প্রেরিত রেমিট্যান্সের পরিমাণ ছিল ৩.০৩ বিলিয়ন ডলার।
বাংলাদেশি প্রবাসীরা মালয়েশিয়ায় বিভিন্ন ধরনের চাকরি করছে। তারা রেস্তোরাঁ, কারখানা, নির্মাণ সাইটে কাজ করছে। কিন্তু তারা অনেক সময় শোষণ ও দুর্ব্যবহারের শিকার হয়। তাদের অনেকে ঋণের বোঝা নিয়ে দেশ ছাড়ছে।
বাংলাদেশ সরকার প্রবাসীদের সুরক্ষার জন্য বিভিন্ন ধরনের পদক্ষেপ নিচ্ছে। তারা প্রবাসীদের সহায়তা করার জন্য বিভিন্ন ধরনের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলছে। কিন্তু এখনও অনেক কিছু করার বাকি আছে।
মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি প্রবাসীদের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। তারা দেশের অর্থনীতিতে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখছে। কিন্তু তারা অনেক সময় শোষণ ও দুর্ব্যবহারের শিকার হয়। তাদের অনেকে ঋণের বোঝা নিয়ে দেশ ছাড়ছে।
বাংলাদেশি প্রবাসীরা মালয়েশিয়ায় কর্মসংস্থানের সন্ধান করছে। তারা দেশের অর্থনীতিতে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখছে। কিন্তু তারা অনেক সময় শোষণ ও দুর্ব্যবহারের শিকার হয়। তাদের অনেকে ঋণের বোঝা নিয়ে দেশ ছাড়ছে।
মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি প্রবাসীদের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। তারা দেশের অর্থনীতিতে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখছে। গত বছর মালয়েশিয়া থেকে বাংলাদেশে প্রেরিত রেমিট্যান্সের পরিমাণ ছিল ৩.০৩ বিলিয়ন ডলার।
বাংলাদেশি প্রবাসীরা মালয়েশিয়ায় বিভিন্ন ধরনের চাকরি করছে। তারা রেস্তোরাঁ, কারখানা, নির্মাণ সাইটে কাজ করছে। কিন্তু তারা অনেক সময় শোষণ ও দুর্ব্যবহারের শিকার হয়। তাদের অনেকে ঋণের বোঝা নিয়ে দেশ ছাড়ছে।
বাংলাদেশ সরকার প্রবাসীদের সুরক্ষার জন্য বিভিন্ন ধরনের পদক্ষেপ নিচ্ছে। তারা প্রবাসীদের সহায়তা করার জন্য বিভিন্ন ধরনের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলছে। কিন্তু এখনও অনেক কিছু করার বাকি আছে।



