রাজশাহী শহর থেকে প্রায় ১১ কিলোমিটার দূরে একটি ডোবায় ঋত্বিক ঘটকের বাড়ির ইট ফেলে দেওয়া হয়েছে। এই ইটগুলো সরিয়ে নেওয়ার অভিযোগ ওঠার পর প্রশাসন ইট সরানোর কাজ বন্ধ করে দেয়। কিন্তু ইটগুলো কোথায় গেছে তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে অনেকে।
ট্রাকচালক মো. ওয়াজ জানিয়েছেন, ইটগুলো পুকুরে আর রাস্তায় ফেলা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, পবা উপজেলার খড়খড়ি বাইপাসের পাশে বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের পশ্চিম পাশে একটি পুকুরে এক ট্রাক ইট ফেলা হয়েছে। সেই তথ্য ধরে সেখানে গিয়ে সত্যিই ঋত্বিক ঘটকের বাড়ির ইট পাওয়া গেছে।
রাজশাহী ঋত্বিক ঘটক ফিল্ম সোসাইটির নির্বাহী সদস্য আতিকুর রহমান ইটগুলো হাত দিয়ে নেড়েচেড়ে দেখছিলেন। তিনি বলেন, একজন কিংবদন্তির বাড়ি ভেঙে ফেলা হলো। এরপর তার ইটগুলো লুকিয়ে ফেলা হলো পুকুর আর ডোবায়। এভাবেই কি ঋত্বিক ঘটকের স্মৃতিচিহ্ন মুছে ফেলা হবে?
ঋত্বিক ঘটকের ১০০ বছর। ঢাকায় জন্ম নেওয়া এই নির্মাতাকে কতটা চেনেন। তিনি রাজশাহীর মিঞাপাড়ায় পৈতৃক বাড়িতে থাকার সময় রাজশাহী কলেজিয়েট স্কুল ও রাজশাহী কলেজে পড়াশুনা করেছেন। তার স্মৃতিচিহ্ন রক্ষা করা প্রয়োজন।
প্রশাসনকে এই বিষয়ে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি। ঋত্বিক ঘটকের স্মৃতিচিহ্ন রক্ষা করা আমাদের দায়িত্ব। আমরা তার স্মৃতিকে সম্মান করি।



