শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নতুন ‘এমপিও নীতিমালা-২০২৫’ জারির পর দেশের প্রায় সাড়ে তিন হাজার শিক্ষক-সাংবাদিক সংকটের মধ্যে পড়েছেন। এই নীতিমালায় বলা হয়েছে যে, এমপিওভুক্ত কোনো শিক্ষক বা কর্মচারী একই সঙ্গে একাধিক চাকরি বা সাংবাদিকতা ও আইন পেশার মতো লাভজনক পদে থাকতে পারবেন না।
এই সিদ্ধান্তের ফলে সারা দেশের কয়েক হাজার শিক্ষক-সাংবাদিকের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা এই নীতিমালাকে চ্যালেঞ্জ করে উচ্চ আদালতে রিট করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। এই নীতিমালা দেশজুড়ে শিক্ষকসমাজে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনার জন্ম দিয়েছে।
অনেক শিক্ষক সাংবাদিকতার সঙ্গে যুক্ত থাকেন। তাদের মতে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব পালনের পর সৃজনশীল বা সমাজসেবামূলক কাজে যুক্ত থাকা কোনো অন্যায় নয়। তারা মনে করছেন, এই নীতিমালার মাধ্যমে শিক্ষকদের সৃজনশীলতার পথ রুদ্ধ করা হচ্ছে।
শিক্ষক-সাংবাদিকদের একটি গ্রুপ গঠনের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এই গ্রুপটির আহ্বায়ক মাসুদ হাসান বাদল জানিয়েছেন, প্রায় সাড়ে তিন হাজার শিক্ষক সাংবাদিকতায় যুক্ত রয়েছেন। তিনি দাবি করেন, সাংবাদিকতা কোনো দ্বৈত পেশা নয় এবং তারা এখান থেকে নামমাত্র সম্মানী পান, যা কোনোভাবেই বেতনভুক্ত পদের মতো নয়।
শিক্ষকদের অভিযোগ, জনপ্রতিনিধি বা কাজি হওয়ার ক্ষেত্রে বাধা না থাকলেও সাংবাদিকতার ক্ষেত্রে এই নিষেধাজ্ঞা প্রশাসনের একটি অংশের ক্ষোভের প্রতিফলন। মাদারীপুরের শিক্ষক ও সাংবাদিক মো. রফিকুল ইসলাম প্রশ্ন তুলেছেন যে, সরকারি চিকিৎসকরা যদি দায়িত্ব শেষে ব্যক্তিগত চেম্বারে রোগী দেখতে পারেন, তবে শিক্ষকদের সাংবাদিকতা কেন অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে।
অনেক শিক্ষক হয়রানির ভয়ে নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন, যোগ্য ও দক্ষ শিক্ষকরা লেখালেখি বন্ধ করলে তৃণমূল পর্যায়ে সাংবাদিকতার মান আরও নিচে নেমে যাবে। তারা মনে করছেন, এই নীতিমালার মাধ্যমে শিক্ষকদের সৃজনশীলতার পথ রুদ্ধ করা হচ্ছে।
শিক্ষক-সাংবাদিকদের জন্য এই নীতিমালা একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তারা এই নীতিমালাকে চ্যালেঞ্জ করে উচ্চ আদালতে রিট করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। এই নীতিমালা দেশজুড়ে শিক্ষকসমাজে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনার জন্ম দিয়েছে।
শিক্ষক-সাংবাদিকদের জন্য এই নীতিমালা একটি বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তারা এই নীতিমালাকে চ্যালেঞ্জ করে উচ্চ আদালতে রিট করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। এই নীতিমালা দেশজুড়ে শিক্ষকসমাজে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনার জন্ম দিয়েছে।
শিক্ষক-সাংবাদিকদের জন্য এই নীতিমালা একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তারা এই নীতিমালাকে চ্যালেঞ্জ করে উচ্চ আদালতে রিট করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। এই নীতিমালা দেশজুড়ে শিক্ষকসমাজে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনার জন্ম দিয়েছে।
পাঠকদের জন্য প্রশ্ন: শিক্ষক-সাংবাদিকদের জন্য এই নীতিমালা কীভাবে একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে? তারা এই নীতিমালাকে চ্যালেঞ্জ করে উচ্চ আদালতে রিট করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন কে



