ভেনেজুয়েলার তেলসম্পদ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র এক অসাধারণ দাবি করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের হোয়াইট হাউসের ডেপুটি চিফ অব স্টাফ স্টিফেন মিলার বলেছেন, ভেনেজুয়েলার তেল আসলে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পদ।
এই দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ভেনেজুয়েলা ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে উত্তেজনা বাড়ছে। স্টিফেন মিলার বলেছেন, ভেনেজুয়েলার তেলশিল্প জাতীয়করণ ছিল যুক্তরাষ্ট্রের সম্পদ ও সম্পত্তির ইতিহাসে সবচেয়ে বড় চুরি।
ভেনেজুয়েলা ১৯৭৬ সালে তেলখাত জাতীয়করণ করে এবং রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান পিডিভিএসএ-র অধীনে নিয়ে আসে। পরে ২০০৭ সালে তৎকালীন বামপন্থী প্রেসিডেন্ট হুগো শাভেজ বাকি বিদেশি তেল প্রকল্পগুলোও জাতীয়করণ করেন।
এই জাতীয়করণের বিরুদ্ধে মার্কিন কোম্পানিগুলো আইনি লড়াই শুরু করে। ২০১৪ সালে বিশ্বব্যাংকের এক সালিশি ট্রাইব্যুনাল এক্সন মোবিলকে ১.৬ বিলিয়ন ডলার ক্ষতিপূরণ দিতে ভেনেজুয়েলাকে নির্দেশ দেয়।
আন্তর্জাতিক আইনের ‘প্রাকৃতিক সম্পদের ওপর স্থায়ী সার্বভৌমত্ব’ নীতিমতে ভেনেজুয়েলার ভূখণ্ডে থাকা তেল ওই দেশেরই সম্পদ। যদিও শুরুতে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের কয়েকটি কোম্পানি সেখানে তেল অনুসন্ধানে যুক্ত ছিল।
ভেনেজুয়েলার বামপন্থী প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোর বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র অবরোধ আরোপ করেছে। এই অবরোধ ভেনেজুয়েলার অর্থনীতিকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে।
যুক্তরাষ্ট্র ভেনেজুয়েলার তেলসম্পদ নিয়ে দাবি করছে বলে ভেনেজুয়েলা ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে উত্তেজনা বাড়ছে। এই উত্তেজনা ভবিষ্যতে আরও বাড়তে পারে।
ভেনেজুয়েলার তেলসম্পদ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের দাবি এক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এই বিষয়ে ভেনেজুয়েলা ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে আলোচনা হতে পারে।
ভেনেজুয়েলার তেলসম্পদ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের দাবি এক জটিল বিষয়। এই বিষয়ে ভেনেজুয়েলা ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সমাধান খুঁজে বের করতে হবে।



