বিবাহবিচ্ছেদিত একক মায়েরা সমাজের বিচারের মুখোমুখি হয়। একজন ১১ বছর বয়সী শিশুর অভিজ্ঞতা এই বিষয়ে একটি উদাহরণ। তার শিক্ষক তাকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন তার বাবা কখন মারা গেছেন, কিন্তু শিশুটি তাকে জানায় যে তার বাবা জীবিত, কিন্তু তার পিতামাতা বিবাহবিচ্ছেদিত।
এই ঘটনাটি সমাজের একটি বড় সমস্যাকে তুলে ধরে। সমাজ একজন বিধবা মায়ের চেয়ে একজন বিবাহবিচ্ছেদিত মায়ের প্রতি বেশি বিচারমূলক। যখন একজন পুরুষ মারা যায়, তখন সমাজ তার পরিবারকে সহায়তা করে, কিন্তু যখন একজন মহিলা একটি অসুখী বিবাহ থেকে বেরিয়ে আসে, তখন সমাজ তাকে দোষারোপ করে।
বিবাহবিচ্ছেদিত মায়েরা তাদের সিদ্ধান্তের জন্য নিন্দা ও সমালোচনার মুখোমুখি হয়। তাদের পরিবারের সদস্যরা তাদের সিদ্ধান্তের জন্য তাদের দোষারোপ করে এবং তাদের ভবিষ্যত সম্পর্কে চিন্তা করতে বলে। তারা বলে যে একজন মহিলার উচিত তার বিবাহে আপস করা, কারণ বিবাহ হল আপস করার বিষয়।
এই সমস্যাটি সমাধান করার জন্য, সমাজকে নিজেকে শিক্ষিত করতে হবে এবং বিবাহবিচ্ছেদের কারণ সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে হবে। সমাজকে বিবাহবিচ্ছেদিত মায়েদের প্রতি সহানুভূতিশীল হতে হবে এবং তাদের সমর্থন করতে হবে। শিশুদের জন্য একটি নিরাপদ পরিবেশ তৈরি করতে হবে, যেখানে তারা সুখী ও স্বাস্থ্যকর বড় হতে পারে।
বিবাহবিচ্ছেদিত মায়েরা তাদের সিদ্ধান্তের জন্য দোষারোপ করা হয় না, বরং তাদের সমর্থন করা উচিত। তাদের উচিত তাদের সিদ্ধান্তের জন্য অপরাধী বোধ করা না, বরং তাদের উচিত তাদের সিদ্ধান্তের জন্য গর্ব বোধ করা। সমাজকে বিবাহবিচ্ছেদিত মায়েদের প্রতি আরও সহানুভূতিশীল হতে হবে এবং তাদের সমর্থন করতে হবে।
বিবাহবিচ্ছেদিত মায়েদের জন্য একটি নিরাপদ পরিবেশ তৈরি করতে, সমাজকে নিজেকে শিক্ষিত করতে হবে এবং বিবাহবিচ্ছেদের কারণ সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে হবে। সমাজকে বিবাহবিচ্ছেদিত মায়েদের প্রতি সহানুভূতিশীল হতে হবে এবং তাদের সমর্থন করতে হবে। শিশুদের জন্য একটি নিরাপদ পরিবেশ তৈরি করতে হবে, যেখানে তারা সুখী ও স্বাস্থ্যকর বড় হতে পারে।



