মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা হ্রাস পাচ্ছে। সাম্প্রতিক একটি সমীক্ষায় দেখা গেছে, ৩৯ শতাংশ প্রাপ্তবয়স্ক মার্কিন নাগরিক ট্রাম্পের কাজকে সমর্থন করেন। এটি ডিসেম্বরের গোড়ার তুলনায় কম, যখন ৪১ শতাংশ মানুষ তার কাজকে সমর্থন করেছিল।
শাটডাউনের ফলে আর্থিক ডামাডোলের জন্য প্রেসিডেন্টকে দুষেছেন মার্কিন আমজনতার একটি বড় অংশ। ট্রাম্প মার্কিন অর্থনীতিকে যেভাবে সামলাচ্ছেন, তা সমর্থন করছেন মাত্র ৩৩ শতাংশ মানুষ। ট্রাম্পের লাগামছাড়া কথাবার্তা সমর্থন করছেন না অনেক কট্টর রিপাবলিকান সমর্থকও।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট সম্প্রতি ঘোষণা করেছেন, তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলো থেকে অভিবাসন ও ভিসা স্থায়ীভাবে বন্ধ করা হতে পারে। এরপর থেকেই ভারত-সহ এশিয়া, আফ্রিকা ও দক্ষিণ আমেরিকা তথা ‘গ্লোবাল সাউথ’, থেকে আগত অভিবাসীদের মধ্যে প্রবল অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। এই নীতিগত অবস্থান শুধু জাতিগত বিভাজন নয়, রাজনৈতিক ক্ষেত্রেও বড় প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে।
একটি সাম্প্রতিক সমীক্ষায় দেখা গিয়েছিল, ২০২৪ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে যেসব প্রদেশে ট্রাম্প স্পষ্ট ব্যবধানে জিতেছিলেন, সেই ২০টি প্রদেশেই এখন তার ‘অ্যাপ্রুভাল রেটিং’ প্রতিপক্ষের তুলনায় কম। ট্রাম্পের নিজের দল রিপাবলিকান পার্টির ভোটারদের মধ্যে তার সার্বিক কাজ নিয়ে ৮৫ শতাংশের সমর্থন রয়েছে। কিন্তু সমীক্ষায় দেখা গেছে ট্রাম্পের অর্থনীতিকে সমর্থন করছেন মাত্র ৭২ শতাংশ রিপাবলিকান সমর্থক!
ভবিষ্যতে ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা আরও কমতে পারে। তার নীতিগত অবস্থান এবং লাগামছাড়া কথাবার্তা অনেক মানুষকে বিমোহিত করেছে। ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা হ্রাসের ফলে রিপাবলিকান পার্টির ভোটাররা তার প্রতি আরও বেশি সমালোচনামূলক হতে পারে।
ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা হ্রাসের কারণে মার্কিন রাজনীতিতে একটি নতুন অধ্যায় শুরু হতে পারে। রিপাবলিকান পার্টির নেতারা ট্রাম্পের নীতিগত অবস্থান এবং লাগামছাড়া কথাবার্তা সম্পর্কে আরও সমালোচনামূলক হতে পারে। এটি মার্কিন রাজনীতিতে একটি নতুন মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারে।



