একটি শীতল অক্টোবর সন্ধ্যায়, ২০২১ সালে, একজন যুবক তার জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত স্মরণ করেন। তিনি ২৬ বছর বয়সী এবং এক বছর আগে ব্রিস্টলে এসেছিলেন রেস সাইক্লিং শিল্পে একটি স্বপ্নের চাকরি শুরু করার জন্য। কিন্তু তিনি বন্ধু বান্ধব করতে পারেননি।
সেই রাতে, তিনি একা বলে মনে হয়েছিল, যখন রাস্তায় হ্যালোইন পার্টির জন্য লোকেরা জমায়েত হচ্ছিল। পাবগুলি পূর্ণ ছিল, এবং তিনি মনে করেছিলেন যে তিনি একটি ভিন্ন বিশ্বের বাইরে ছিলেন।
এই অভিজ্ঞতা তার প্রজন্মের অনেকের জন্য সাধারণ। অফিস ফর ন্যাশনাল স্ট্যাটিস্টিক্স (ওএনএস) এর গবেষণায় দেখা যায় যে ১৬ থেকে ২৯ বছর বয়সীদের মধ্যে ৩৩% লোক প্রায়শই একা বোধ করে। এটি সবচেয়ে বেশি একাকীত্বের হার।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার গবেষণায়ও দেখা যায় যে যুব প্রাপ্তবয়স্ক এবং কিশোর-কিশোরীরা সবচেয়ে বেশি একাকীত্বের অভিজ্ঞতা করে।
এই সমস্যার কারণ কী? বিশেষজ্ঞরা বলেন যে আধুনিক বিশ্বই এর জন্য দায়ী। অনেক যুবক একসাথে থাকে, কিন্তু তারা একে অপরের সাথে যোগাযোগ করে না।
এই সমস্যার সমাধান কী? বিশেষজ্ঞরা বলেন যে আমাদের একে অপরের সাথে যোগাযোগ করার উপায় খুঁজে বের করতে হবে। আমাদের একে অপরের সাথে কথা বলার, একসাথে থাকার এবং একে অপরের সাহায্য করার উপায় খুঁজে বের করতে হবে।
আমরা কি এই সমস্যার সমাধান খুঁজে পেতে পারি? আমরা কি একে অপরের সাথে যোগাযোগ করতে পারি এবং একাকীত্বের সমস্যা কমাতে পারি?
একাকীত্ব একটি গুরুতর সমস্যা, এবং আমাদের এটি সমাধান করার জন্য একসাথে কাজ করতে হবে। আমরা কি একে অপরের সাথে যোগাযোগ করতে পারি এবং একাকীত্বের সমস্যা কমাতে পারি?
আমরা এই সমস্যার সমাধান খুঁজে পেতে পারি যদি আমরা একে অপরের সাথে যোগাযোগ করি এবং একসাথে কাজ করি। আমরা কি একে অপরের সাথে যোগাযোগ করতে পারি এবং একাকীত্বের সমস্যা কমাতে পারি?



