জাতীয় নাগরিক দলের প্রধান সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেছেন, ভারতের সাথে বাংলাদেশের সম্পর্ক ন্যায্যতা ও পারস্পরিক সম্মানের ভিত্তিতে হওয়া উচিত। কুমিল্লার ফুলতলী এলাকায় এক সভায় তিনি এই মন্তব্য করেন। হাসনাত আব্দুল্লাহ কুমিল্লা-৪ আসনের জন্য তার দলের মনোনীত প্রার্থী।
তিনি বলেন, ভারত বাংলাদেশের সাথে সম্পর্ক গড়ে তুলতে চাইলে তাদের অবশ্যই ন্যায্যতা ও সম্মানের সাথে আচরণ করতে হবে। তিনি ভারতের প্রতি বাংলাদেশের নীতি নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন।
একই দিনে মিডিয়া রিপোর্টে বলা হয়েছে যে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বাংলাদেশের হাইকমিশনারকে ডেকে পাঠিয়েছে সাম্প্রতিক ঘটনাবলী নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করতে।
হাসনাত আব্দুল্লাহ ভারতকে বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলার জন্য আহ্বান জানান। তিনি বলেন, ভারত বাংলাদেশের সাথে সম্পর্ক গড়ে তুলতে চাইলে তাদের অবশ্যই ন্যায্যতা ও সম্মানের সাথে আচরণ করতে হবে।
তিনি ভারতের প্রতি বাংলাদেশের নীতি নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন। তিনি বলেন, ভারত বাংলাদেশের সাথে সম্পর্ক গড়ে তুলতে চাইলে তাদের অবশ্যই ন্যায্যতা ও সম্মানের সাথে আচরণ করতে হবে।
হাসনাত আব্দুল্লাহর এই মন্তব্য ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের পরিপ্রেক্ষিতে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। তার এই বক্তব্য ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের ভবিষ্যত গতিপথ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে মনে করা হচ্ছে।
ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের ভবিষ্যত গতিপথ নির্ধারণে হাসনাত আব্দুল্লাহর এই বক্তব্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে মনে করা হচ্ছে। তার এই বক্তব্য ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের পরিপ্রেক্ষিতে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।
ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের ভবিষ্যত গতিপথ নির্ধারণে হাসনাত আব্দুল্লাহর এই বক্তব্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে মনে করা হচ্ছে। তার এই বক্তব্য ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের পরিপ্রেক্ষিতে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।
হাসনাত আব্দুল্লাহর এই মন্তব্য ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের পরিপ্রেক্ষিতে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। তার এই বক্তব্য ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের ভবিষ্যত গতিপথ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে মনে করা হচ্ছে।
ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের ভবিষ্যত গতিপথ নির্ধারণে হাসনাত আব্দুল্লাহর এই বক্তব্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে মনে করা হচ্ছে। তার এই বক্তব্য ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের পরিপ্রেক্ষিতে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।
হাসনাত আব্দুল্লাহর এই মন্তব্য ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের পরিপ্রেক্ষিতে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। তার এই বক্তব্য ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের ভবিষ্যত গতিপথ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে মনে করা হচ্ছে।
ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের ভবিষ্যত গতিপথ নির্ধারণে হাসনাত আব্দুল্লাহর এই বক্তব্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে মনে করা হচ্ছে। তার এই বক্তব্য ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের পরিপ্রেক্ষিতে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।
হাসন



