পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপে জানিয়েছেন, জাতীয় নাগরিক পার্টির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহর ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের ‘সেভেন সিস্টার্স’ রাজ্যগুলো নিয়ে মন্তব্য সরকারের অবস্থান নয়।
তিনি বলেন, হাসনাত সরকারের অংশ নয়। তাই তার বক্তব্য সরকারের অবস্থান নয়। বাংলাদেশ কোনো বিচ্ছিন্নতাবাদী ব্যক্তিকে কখনো আশ্রয় দেবে না।
পররাষ্ট্র উপদেষ্টা আরও বলেন, বাংলাদেশ কোনো সন্ত্রাসবাদে বিশ্বাস করে না। কোনো বিচ্ছিন্নতাবাদী ব্যক্তি আমাদের দেশে আসলে সরকার তাকে আশ্রয় দেবে না।
এই মন্তব্যটি হাসনাতের ব্যক্তিগত বক্তব্য, সরকারের নয়। পররাষ্ট্র উপদেষ্টা এই বিষয়ে স্পষ্ট করেছেন যে বাংলাদেশ কোনো সন্ত্রাসবাদী বা বিচ্ছিন্নতাবাদী ব্যক্তিকে আশ্রয় দেবে না।
বুধবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা এই তথ্য জানান।
এই ঘটনার পর থেকে দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।
পররাষ্ট্র উপদেষ্টার এই মন্তব্য দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলবে বলে মনে করা হচ্ছে।
এই বিষয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও ব্যক্তিত্বের প্রতিক্রিয়া আসতে পারে।
তবে এই মন্তব্যটি দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে কোনো উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আনবে কিনা তা এখনও অস্পষ্ট।
পররাষ্ট্র উপদেষ্টার এই মন্তব্যটি দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
এই ঘটনার পর থেকে দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।
পররাষ্ট্র উপদেষ্টার এই মন্তব্যটি দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলবে বলে মনে করা হচ্ছে।
এই বিষয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও ব্যক্তিত্বের প্রতিক্রিয়া আসতে পারে।
তবে এই মন্তব্যটি দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে কোনো উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আনবে কিনা তা এখনও অস্পষ্ট।
পররাষ্ট্র উপদেষ্টার এই মন্তব্যটি দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
এই ঘটনার পর থেকে দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।
পররাষ্ট্র উপদেষ্টার এই মন্তব্যটি দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলবে বলে মনে করা হচ্ছে।
এই বিষয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও ব্যক্তিত্বের প্রতিক্রিয়া আসতে পারে।
তবে এই মন্তব্যটি দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে কোনো উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আনবে কিনা তা এখনও অস্পষ্ট।
পররাষ্ট্র উপদেষ্টার এই মন্তব্যটি দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
এই ঘটনার পর থেকে দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।
পররাষ্ট্র উপদেষ্টার এই মন্তব্যটি দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলবে বলে মনে করা হচ্ছে।
এই বিষয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও ব্যক্তিত্বের প্রতিক্রিয়া আসতে পারে।
তবে এই মন্তব্যটি দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে কোনো উল্লেখযোগ্য পর



