বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রাবাজারে যোগান-চাহিদার ভারসাম্য বজায় রাখতে বাংলাদেশ ব্যাংক নিয়মিত হস্তক্ষেপ করছে। এর অংশ হিসেবে, বাংলাদেশ ব্যাংক ১৩টি বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে ২০২ মিলিয়ন ডলার কিনেছে। এই ক্রয়ের ফলে, চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে মোট ডলার ক্রয়ের পরিমাণ ২ হাজার ৫১৪ মিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের এই হস্তক্ষেপের লক্ষ্য হল বাজারে ডলারের দাম স্থিতিশীল রাখা। বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র জানিয়েছেন, ডলার কেনা হচ্ছে শুধুমাত্র অতিরিক্ত ডলারধারী ব্যাংকগুলোর কাছ থেকে নিলামের মাধ্যমে। এটা কোনো কৃত্রিম হস্তক্ষেপ নয়।
বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রাবাজারে ডলারের চাহিদা বেড়ে যাওয়ার কারণে বাংলাদেশ ব্যাংককে হস্তক্ষেপ করতে হচ্ছে। আমদানি-রপ্তানির সঙ্গে জড়িত ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, রমজানের আগে ডলারের চাহিদা স্বাভাবিকভাবেই বাড়ে। কিন্তু সেই সময়েই বাংলাদেশ ব্যাংকের ডলার কেনা বাজারে বাড়তি চাপ সৃষ্টি করছে।
চলতি অর্থবছরের প্রথম পাঁচ মাসে দেশে এসেছে ১,৩০৩ কোটি ৪৩ লাখ ডলার প্রবাসী আয়। টাকায় যার পরিমাণ প্রায় এক লাখ ৬০ হাজার কোটি টাকা। এই প্রবাসী আয়ের ফলে বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বাড়বে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের এই হস্তক্ষেপের ফলে বাজারে ডলারের দাম স্থিতিশীল থাকবে। এটা আমদানিকারক ও রপ্তানিকারকদের জন্য ভালো হবে। কিন্তু বাংলাদেশ ব্যাংককে সতর্ক থাকতে হবে যাতে বাজারে ডলারের দাম অতিরিক্ত বেড়ে না যায়।
বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রাবাজারে ডলারের চাহিদা বেড়ে যাওয়ার কারণে বাংলাদেশ ব্যাংককে হস্তক্ষেপ করতে হচ্ছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের এই হস্তক্ষেপের ফলে বাজারে ডলারের দাম স্থিতিশীল থাকবে। এটা আমদানিকারক ও রপ্তানিকারকদের জন্য ভালো হবে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র জানিয়েছেন, ডলার কেনা হচ্ছে শুধুমাত্র অতিরিক্ত ডলারধারী ব্যাংকগুলোর কাছ থেকে নিলামের মাধ্যমে। এটা কোনো কৃত্রিম হস্তক্ষেপ নয়। বাংলাদেশ ব্যাংক বাজারে ডলারের দাম স্থিতিশীল রাখার জন্য সতর্ক থাকবে।
বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রাবাজারে ডলারের চাহিদা বেড়ে যাওয়ার কারণে বাংলাদেশ ব্যাংককে হস্তক্ষেপ করতে হচ্ছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের এই হস্তক্ষেপের ফলে বাজারে ডলারের দাম স্থিতিশীল থাকবে। এটা আমদানিকারক ও রপ্তানিকারকদের জন্য ভালো হবে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র জানিয়েছেন, ডলার কেনা হচ্ছে শুধুমাত্র অতিরিক্ত ডলারধারী ব্যাংকগুলোর কাছ থেকে নিলামের মাধ্যমে। এটা কোনো কৃত্রিম হস্তক্ষেপ নয়। বাংলাদেশ ব্যাংক বাজারে ডলারের দাম স্থিতিশীল রাখার জন্য সতর্ক থাকবে।
বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রাবাজারে ডলারের চাহিদা বেড়ে যাওয়ার কারণে বাংলাদেশ ব্যাংককে হস্তক্ষেপ করতে হচ্ছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের এই হস্তক্ষেপের ফলে বাজারে ডলারের দাম স্থিতিশীল থাকবে। এটা আমদানিকারক ও রপ্তানিকারকদের জন্য ভালো হবে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র জানিয়েছেন, ডলার কেনা হচ্ছে শুধুমাত্র অতিরিক্ত ডলারধারী ব্যাংকগুলোর কাছ থেকে নিলামের মাধ্যমে। এটা কোনো কৃত্রিম হস্তক



