নারায়ণগঞ্জ শহর আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি রবিউল হোসেনকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। তাকে তার বাসায় গ্রেপ্তার করা হয়। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম) তারেক আল মেহদি এই গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ আবদুল হালিম জানিয়েছেন, রবিউলের বিরুদ্ধে থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং তাকে এই মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
রবিউল হোসেন নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সাবেক আওয়ামী লীগ সাংসদ শামীম ওসমানের ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে পরিচিত। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রবিউল জুলাই উত্থানের পর অনেক আওয়ামী লীগ নেতার মতোই তিনিও পালিয়ে যান, কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে তিনি আবার বাড়ি ফিরে এসেছিলেন।
গ্রেপ্তারের ঘটনাটি ঘটেছে গৃহমন্ত্রীর উপদেষ্টা লেফটেনেন্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরীর নির্দেশের কয়েক ঘণ্টা পরে। তিনি পুলিশকে নির্দেশ দিয়েছিলেন আওয়ামী লীগের অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে, এমনকি যদি তাদের বিরুদ্ধে কোনো মামলা না থাকে।
একই দিনে আরাইহাজার উপজেলার দুপতারা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আজিজুল ইসলামকেও পুলিশ গ্রেপ্তার করে। তাকে গত বছরের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাথে সম্পর্কিত বিস্ফোরক আইনের একটি মামলায় আদালতে তোলা হয়।
নারায়ণগঞ্জে এই গ্রেপ্তারের ঘটনাটি স্থানীয় রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে উত্তেজনা বাড়িয়ে দিয়েছে। পরবর্তী আদালতের কার্যক্রম ও তদন্ত পরিস্থিতি মনোযোগ সহকারে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।
এই গ্রেপ্তারের পর স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতারা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তারা আশা করছেন যে আইনি প্রক্রিয়া সঠিকভাবে অনুসরণ করা হবে এবং রবিউল হোসেনের অধিকার সমুন্নত রাখা হবে।
এই ঘটনার পর থেকে নারায়ণগঞ্জের রাজনৈতিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। স্থানীয় জনগণ এই গ্রেপ্তারের ঘটনার প্রতি সতর্ক নজর রাখছেন।



