22 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিবাংলাদেশের মুক্তিযোদ্ধাদের অবদান অস্বীকারকারীদের সামরিক ইতিহাস-বিজ্ঞানের ‘জ্ঞান নেই’

বাংলাদেশের মুক্তিযোদ্ধাদের অবদান অস্বীকারকারীদের সামরিক ইতিহাস-বিজ্ঞানের ‘জ্ঞান নেই’

বাংলাদেশের মুক্তিযোদ্ধাদের অবদানকে অস্বীকার করে মুক্তিযুদ্ধকে ‘ভারত-পাকিস্তানের যুদ্ধ’ হিসাবে দেখাতে চাওয়া ব্যক্তিদের সামরিক ইতিহাস ও বিজ্ঞান বিষয়ে ‘কোনো জ্ঞান নেই’ বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন।

বিজয় দিবসে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং অন্যদের বার্তায় বাংলাদেশের নামোল্লেখ না থাকার বিষয়ে এক প্রশ্নে বুধবার এ মন্তব্য করেন তিনি।

ভারতীয়দের লেখা ইতিহাসেও মুক্তিযোদ্ধাদের অবদানের কথা লেখা থাকার কথা তুলে ধরে তৌহিদ হোসেন বলেন, “তাদের বিশেষজ্ঞ যারা, তারাই বলতেছে যে মুক্তিযোদ্ধারা যেভাবে নমনীয় করে রেখেছিল পাকিস্তান আর্মি রেজিস্টেন্সকে, সেটা না করলে ভারতের এই বিজয় অর্জনে অনেক সময় লাগত, অনেক বেশি ক্ষয় হত, অনেক মানুষ নিহত হত।

মুক্তিযোদ্ধারা যেহেতু পূর্ববর্তী, আপনি নয় মাস না ধরুন, ছয় মাস ধরুন, তখন তারা পুরোপুরি সক্রিয় হয়েছে। প্রথমে তো একটা রেজিস্টেন্স গেছে, কিন্তু তারপরে তো জুনের দিক থেকে পুরোপুরি যুদ্ধ শুরু করেছে মুক্তিযোদ্ধারা।

তিনি বলেন, “এখানে মুক্তিযোদ্ধাদের অবদানটাকে যারা অস্বীকার করেন, মিলিটারি হিস্ট্রি বা মিলিটারি সায়েন্স সম্বন্ধে তাদের কোনো জ্ঞান নেই। তারা এটাকে অস্বীকার করার চেষ্টা করবেন, কিন্তু অস্বীকার করার কোনো অর্থ হয় না। মুক্তিযোদ্ধাদের সহায়তা ছাড়া তারা এই বিজয় অর্জন করতে পারতেন না।

মঙ্গলবার ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী আলাদা আলাদা বার্তায় বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। শ্রদ্ধার সঙ্গে তারা স্মরণ করেছেন ৭১ সালের যুদ্ধে পাকিস্তানি বাহিনীকে নাস্তানাবুদ করা ভারতীয় জওয়ানদের। কিন্তু তারা তাদের বক্তব্যে ‘বাংলাদেশ’ এর নাম একবারও নেননি।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া তার পোস্টে বিজয় দিবসকে ‘ভারতের ঐতিহাসিক বিজয়’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। মোদী সেখানে লিখেছেন, “বিজয় দিবসে আমরা সেই সাহসী সেনাদের স্মরণ করছি, যাদের আত্মত্যাগ ১৯৭১ সালে ভারতকে ঐতিহাসিক বিজয় এনে দিয়েছিল।

তাদের দৃঢ় সংকল্প এবং নিঃস্বার্থ সেবা আমাদের জাতিকে রক্ষা করেছে এবং আমাদের ইতিহাসে গর্বের মুহূর্ত স্থাপন করেছে। এই দিনটি তাদের বীরত্বের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধাঞ্জলি, তাদের অতুলনীয় চেতনাকে স্মরণ করার দিন। তাদের বীরত্ব প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে অমাদেরকে অনুপ্রাণিত করে চলেছে।

এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশের মুক্তিযোদ্ধাদের অবদান এবং ভারতের সহায়তা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠেছে। এই বিষয়ে আরও আলোচনা ও গবেষণার প্রয়োজন রয়েছে।

বাংলাদেশের মুক্তিযোদ্ধাদের অবদান এবং ভারতের সহায়তা নিয়ে আরও কথা বলা যায়। এই বিষয়ে আরও তথ্য ও প্রমাণ প্রয়োজন।

বাংলাদেশের মুক্তিযোদ্ধাদের অবদান এবং ভারতের সহায়তা নিয়ে আরও আলোচনা করা যায়। এই বিষয়ে আরও গবেষণা ও আলোচনার প্রয়োজন রয়েছে।

বাং

৮৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিডিনিউজ২৪
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments