গত বুধবার সকালে এক যুগ্ম সচিবকে তাঁর গাড়িচালক জিম্মি করেছিলেন। চালক ছয় লাখ টাকা দাবি করেছিলেন বলে জানা গেছে। পরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা তাঁকে আটক করেন।
জিম্মি দশা থেকে মুক্তি পাওয়া যুগ্ম সচিব মাকসুদা হোসেন পরিকল্পনা কমিশনের কার্যক্রম বিভাগে কর্মরত। গাড়িচালকের নাম আবদুল আউয়াল। তিনি দুই মাস ধরে ওই কর্মকর্তার গাড়ি চালাচ্ছিলেন।
মাকসুদা হোসেন বলেছেন, সকাল সোয়া আটটায় তিনি ধানমন্ডির বাসা থেকে গাড়িতে করে শেরেবাংলা নগর এলাকায় পরিকল্পনা কমিশনে নিজ কর্মস্থলের উদ্দেশে রওনা হন। কিন্তু চালক গাড়ি কমিশনে না নিয়ে বিজয় সরণির দিকে যেতে থাকেন।
মাকসুদা হোসেন আরও বলেছেন, চালক তাঁকে অন্যদিকে নিয়ে যাচ্ছেন সে বিষয়টি নিজের এক সহকর্মীকে জানান। এক পর্যায়ে তিনি জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯–এ কল দিতে গেলে চালক জোর করে তাঁর কাছ থেকে মোবাইল ফোন কেড়ে নিয়ে বন্ধ করে দেন।
চালক তাঁকে জিম্মি করে রেখে ছয় লাখ টাকা দাবি করেছিলেন। তখন মাকসুদা হোসেন বলেছিলেন, এই মুহূর্তে তাঁর কাছে টাকা নেই। পরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা তাঁকে আটক করেন।
শেরেবাংলা নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুল ইসলাম জানিয়েছেন, চালকের বিরুদ্ধে অপহরণের মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
এই ঘটনার পর পরিকল্পনা কমিশনের কর্মকর্তারা আতঙ্কিত। তাঁরা জানিয়েছেন, এই ধরনের ঘটনা আগে কখনও ঘটেনি।
পুলিশ জানিয়েছে, চালক আবদুল আউয়াল বগুড়া জেলার বাসিন্দা। তিনি দুই মাস ধরে মাকসুদা হোসেনের গাড়ি চালাচ্ছিলেন। আগে তিনি পরিকল্পনা কমিশনের আরেক যুগ্ম সচিবের গাড়ি চালাতেন।
এই ঘটনার তদন্ত চলছে। পুলিশ জানিয়েছে, চালকের বিরুদ্ধে অপহরণের মামলা দায়ের করা হবে।
এই ঘটনা নিয়ে পরিকল্পনা কমিশনের কর্মকর্তারা আতঙ্কিত। তাঁরা জানিয়েছেন, এই ধরনের ঘটনা আগে কখনও ঘটেনি।
পুলিশ জানিয়েছে, চালক আবদুল আউয়াল বগুড়া জেলার বাসিন্দা। তিনি দুই মাস ধরে মাকসুদা হোসেনের গাড়ি চালাচ্ছিলেন। আগে তিনি পরিকল্পনা কমিশনের আরেক যুগ্ম সচিবের গাড়ি চালাতেন।
এই ঘটনার তদন্ত চলছে। পুলিশ জানিয়েছে, চালকের বিরুদ্ধে অপহরণের মামলা দায়ের করা হবে।



