জাতীয় পার্টি প্রধান জিএম কাদেরের নেতৃত্বে দলটি ১৩তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণের প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তবে, পরিস্থিতি মূল্যায়নের পরে এই সিদ্ধান্ত পরিবর্তন হতে পারে।
জাতীয় পার্টির মহাসচিব শামীম হায়দার পাটোয়ারী আজ দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক প্রেস কনফারেন্সে এই ঘোষণা দেন। তিনি বলেন, আমাদের মনোনয়নপত্র বিতরণ শুরু হয়েছে। আমরা আশা করি নির্বাচন কমিশন সকলের অংশগ্রহণে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক নির্বাচন অনুষ্ঠান করবে। অন্যথায়, দেশের সঙ্কট সমাধান হবে না।
তিনি বলেন, নির্বাচনের দুই মাস আগে আইন-শৃঙ্খলা কখনো এতটা খারাপ হয়নি। আমরা আশা করি সরকার একটি সমতল প্রতিযোগিতার ব্যবস্থা করবে।
শামীম হায়দার পাটোয়ারী আরো বলেন, কিছু অংশ মুক্তিযুদ্ধের চেতনা নষ্ট করার এবং ইতিহাসকে বিকৃত করার চেষ্টা করছে। তিনি বলেন, গত এক বছর ধরে বিচার বিভাগ স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারছে না এবং জনতার হাতে সহিংসতা ব্যাপক।
তিনি বলেন, বিরোধীদের মিথ্যা ও বানোয়াট মামলার মাধ্যমে হয়রানি করা হচ্ছে। এমনকি জামিন পাওয়ার পরেও লোকদের জেলগেট থেকে আবার গ্রেফতার করা হচ্ছে।
তিনি উদাহরণ হিসেবে জাতীয় পার্টির সাবেক সংসদ সদস্য গোলাম কিবরিয়ার নাম উল্লেখ করেন, যিনি বারবার জেলগেট থেকে গ্রেফতার হয়েছেন এবং জামিন পাওয়া সত্ত্বেও নতুন নতুন মামলায় জড়িত হচ্ছেন।
এদিকে, অন্তর্বর্তী সরকারের স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী আওয়ামী লীগের যারা সন্ত্রাসী, তাদের বিরুদ্ধে মামলা না থাকলেও আইনের আওতায় নিয়ে আসতে পুলিশকে নির্দেশনা দিয়েছেন।
জাতীয় পার্টির এই সিদ্ধান্ত দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলবে। দেশের বিরোধী দলগুলো ইতিমধ্যেই নির্বাচন বয়কটের হুমকি দিচ্ছে। জাতীয় পার্টির এই সিদ্ধান্ত বিরোধী দলগুলোর জন্য একটি নতুন চ্যালেঞ্জ হতে পারে।
জাতীয় পার্টির সিদ্ধান্তের পরে দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে। দলটির এই সিদ্ধান্ত দেশের রাজনৈতিক ভারসাম্যকে প্রভাবিত করবে।
জাতীয় পার্টির সিদ্ধান্তের পরে দেশের রাজনৈতিক দৃশ্যপট পরিবর্তন হতে পারে। দলটির এই সিদ্ধান্ত দেশের রাজনৈতিক উন্নয়নে একটি নতুন মোড় হতে পারে।



