বাংলাদেশ ব্যাংক ছেঁড়া টাকা বদলের জন্য নতুন নীতিমালা জারি করেছে। এই নীতিমালা অনুযায়ী, যদি কোনো টাকার ৯০ শতাংশের বেশি অংশ ঠিক থাকে, তাহলে সেই টাকার পুরো মূল্য ফেরত পাওয়া যাবে। কিন্তু যদি টাকার ৯০ শতাংশ বা তার কম অংশ ঠিক থাকে, তাহলে সেই টাকার বিনিময় মূল্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যাবে না।
বাংলাদেশ ব্যাংকের এই নতুন নীতিমালা অনুযায়ী, সমস্ত ব্যাংকের সমস্ত শাখা থেকেই ছেঁড়া টাকা বদলের সেবা দিতে হবে। যেসব টাকার বিনিময় মূল্য তাৎক্ষণিকভাবে প্রদানযোগ্য নয়, সেসব ক্ষেত্রে গ্রাহকের কাছ থেকে আবেদন নিয়ে তা বাংলাদেশ ব্যাংকে পাঠাতে হবে। বাংলাদেশ ব্যাংক সর্বোচ্চ ৮ সপ্তাহের মধ্যে বিনিময় মূল্য ফেরত দেবে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের এই নতুন নীতিমালা বাজারে অপ্রচলনযোগ্য, ছেঁড়া, ফাটা বা ত্রুটিযুক্ত টাকা বিনিময়ের জন্য করা হয়েছে। এই নীতিমালা অনুযায়ী, টাকার ব্যবহারযোগ্যতা ও বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে প্রচলিত টাকাগুলোকে পাঁচটি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়েছে। এগুলো হলো পুনঃ প্রচলনযোগ্য, অপ্রচলনযোগ্য, ছেঁড়া-ফাটা বা ত্রুটিযুক্ত, দাবিযোগ্য এবং আগুনে পোড়া টাকা।
বাংলাদেশ ব্যাংকের এই নতুন নীতিমালা অনুযায়ী, প্রতিটি ব্যাংকের প্রতিটি শাখা থেকেই অপ্রচলনযোগ্য, ছেঁড়া, ফাটা বা ত্রুটিযুক্ত টাকা বদলের সেবা দিতে হবে। যেসব টাকার বিনিময় মূল্য তাৎক্ষণিকভাবে প্রদানযোগ্য নয়, সেসব ক্ষেত্রে গ্রাহকের কাছ থেকে আবেদন নিয়ে তা বাংলাদেশ ব্যাংকে পাঠাতে হবে। বাংলাদেশ ব্যাংক সর্বোচ্চ ৮ সপ্তাহের মধ্যে বিনিময় মূল্য ফেরত দেবে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের এই নতুন নীতিমালা বাজারে অপ্রচলনযোগ্য, ছেঁড়া, ফাটা বা ত্রুটিযুক্ত টাকা বিনিময়ের জন্য করা হয়েছে। এই নীতিমালা অনুযায়ী, টাকার ব্যবহারযোগ্যতা ও বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে প্রচলিত টাকাগুলোকে পাঁচটি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়েছে। এগুলো হলো পুনঃ প্রচলনযোগ্য, অপ্রচলনযোগ্য, ছেঁড়া-ফাটা বা ত্রুটিযুক্ত, দাবিযোগ্য এবং আগুনে পোড়া টাকা।
বাংলাদেশ ব্যাংকের এই নতুন নীতিমালা অনুযায়ী, প্রতিটি ব্যাংকের প্রতিটি শাখা থেকেই অপ্রচলনযোগ্য, ছেঁড়া, ফাটা বা ত্রুটিযুক্ত টাকা বদলের সেবা দিতে হবে। যেসব টাকার বিনিময় মূল্য তাৎক্ষণিকভাবে প্রদানযোগ্য নয়, সেসব ক্ষেত্রে গ্রাহকের কাছ থেকে আবেদন নিয়ে তা বাংলাদেশ ব্যাংকে পাঠাতে হবে। বাংলাদেশ ব্যাংক সর্বোচ্চ ৮ সপ্তাহের মধ্যে বিনিময় মূল্য ফেরত দেবে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের এই নতুন নীতিমালা বাজারে অপ্রচলনযোগ্য, ছেঁড়া, ফাটা বা ত্রুটিযুক্ত টাকা বিনিময়ের জন্য করা হয়েছে। এই নীতিমালা অনুযায়ী, টাকার ব্যবহারযোগ্যতা ও বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে প্রচলিত টাকাগুলোকে পাঁচটি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়েছে। এগুলো হলো পুনঃ প্রচলনযোগ্য, অপ্রচলনযোগ্য, ছেঁড়া-ফাটা বা ত্রুটিযুক্ত, দাবিযোগ্য এবং আগুনে পোড়া টাকা।
বাংলাদেশ ব্যাংকের এই নতুন নীতিমালা অনুযায়ী, প্রতিটি ব্যাংকের প্রতিটি শাখা থে



