দক্ষিণ আফ্রিকা সম্প্রতি ৭ জন কেনিয়ান নাগরিককে গ্রেফতার করেছে এবং তাদের দেশে ফেরত পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে। এই কেনিয়ানরা দক্ষিণ আফ্রিকায় অবৈধভাবে কাজ করছিল। তারা একটি কেন্দ্রে কাজ করছিল যেখানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি বিতর্কিত শরণার্থী পুনর্বাসন কর্মসূচির জন্য আবেদনপত্র প্রক্রিয়াকরণ করা হয়। এই কর্মসূচির লক্ষ্য শুধুমাত্র সাদা আফ্রিকানদেরকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে স্থানান্তরিত করা।
এই গ্রেফতারগুলি দক্ষিণ আফ্রিকার জোহানেসবার্গে মঙ্গলবার ঘটেছে। গোয়েন্দা রিপোর্টে বলা হয়েছে যে কেনিয়ানরা পর্যটন ভিসায় দেশে প্রবেশ করেছিল এবং কাজ শুরু করেছিল, যদিও দক্ষিণ আফ্রিকার হোম অ্যাফেয়ার্স বিভাগ একই পদে কাজের ভিসা আবেদন প্রত্যাখ্যান করেছিল। এই ৭ জন ব্যক্তিকে ৫ বছরের জন্য দক্ষিণ আফ্রিকায় পুনরায় প্রবেশে নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
এই ঘটনাটি দক্ষিণ আফ্রিকা এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে একটি নতুন কূটনৈতিক বিবাদের সৃষ্টি করেছে। এটি ২০২৫ সাল জুড়ে উত্তেজনা বাড়িয়েছে, যখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন যে সাদা দক্ষিণ আফ্রিকানরা ‘গণহত্যা’ এবং জাতিগত নিপীড়নের শিকার হচ্ছে। মার্কিন পররাষ্ট্র দফতর বলেছে যে ‘আমাদের শরণার্থী কার্যক্রমে হস্তক্ষেপ করা অগ্রহণযোগ্য’ এবং তারা অবিলম্বে স্পষ্টকরণ চাইবে।
কেনিয়ানরা আমেরিকানার্স এবং আরএসসি আফ্রিকা নামক দুটি সংস্থার জন্য কাজ করছিল, যেগুলি ট্রাম্পের প্রোগ্রামের জন্য আবেদনপত্র প্রক্রিয়াকরণ করে। এই সংস্থাগুলি একটি কেনিয়া-ভিত্তিক শরণার্থী সহায়তা সংস্থা চার্চ ওয়ার্ল্ড সার্ভিস দ্বারা পরিচালিত হয়। দক্ষিণ আফ্রিকার আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগ বলেছে যে বিদেশী কর্মকর্তাদের অবৈধ শ্রমিকদের সাথে সমন্বয় করা ‘উদ্দেশ্য এবং কূটনৈতিক প্রোটোকল’ সম্পর্কে গুরুতর প্রশ্ন তুলেছে এবং তারা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং কেনিয়ার সাথে আনুষ্ঠানিক যোগাযোগ শুরু করেছে।
ট্রাম্প ফেব্রুয়ারিতে একটি নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে এই পুনর্বাসন কর্মসূচি চালু করেছিলেন, যার শিরোনাম ছিল ‘প্রজাতন্ত্র দক্ষিণ আফ্রিকার জঘন্য কাজগুলির সমাধান করা’। এই কর্মসূচির ফলে এই বছর কয়েকজন সাদা দক্ষিণ আফ্রিকান মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে স্থানান্তরিত হয়েছে।
দক্ষিণ আফ্রিকা এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধি পাচ্ছে এই ঘটনার পরে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এই পরিস্থিতি সম্পর্কে স্পষ্টকরণ চাইছে, যখন দক্ষিণ আফ্রিকা তার আইন প্রয়োগ করছে। এই পরিস্থিতি দুই দেশের মধ্যে সম্পর্কের উপর উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে.
এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে, দক্ষিণ আফ্রিকা এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সম্পর্ক আরও উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে উঠছে। এই পরিস্থিতি দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্কের উপর গুরুতর প্রভাব ফেলবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
এই পরিস্থিতি দক্ষিণ আফ্রিকা এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সম্পর্কের জন্য একটি নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে। এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে, দু



