গতকাল বিকেলে জুলাই ঐক্যের ব্যানারে একদল লোক ভারতীয় হাইকমিশনের দিকে মিছিল বের করে। তাদের দাবি ছিল সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ অন্যদের দেশে ফেরত আসা।
মিছিলটি রামপুরা ব্রিজ এলাকা থেকে শুরু হয়েছিল। উত্তর বাড্ডা এলাকায় পুলিশ বাধা দেয়। প্রতিবাদকারীরা বাধা ভেঙে যাওয়ার চেষ্টা করেছিল।
পুলিশ মিছিলকে আরও একটি শক্তিশালী বাধা দেয়। প্রতিবাদকারীরা রাস্তায় বসে স্লোগান দেয় এবং মাইকের মাধ্যমে বক্তৃতা দেয়।
প্রতিবাদকারীরা বলেছে যে তারা ভারতীয় হাইকমিশনের কাছে বাংলাদেশের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করতে চায়।
পুলিশ মিছিলকে বাধা দেওয়ার ঘটনাটি রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করে তুলবে বলে মনে করা হচ্ছে।
এই ঘটনার পর রাজনৈতিক পরিস্থিতি কেমন হবে তা নিয়ে সবাই উদ্বিগ্ন।
প্রতিবাদকারীদের দাবি ছিল যে তারা সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ অন্যদের দেশে ফেরত আসার দাবি জানাতে চায়।
এই ঘটনাটি বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলবে বলে মনে করা হচ্ছে।
পুলিশ মিছিলকে বাধা দেওয়ার ঘটনাটি রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে উত্তেজনা বাড়িয়ে তুলবে বলে মনে করা হচ্ছে।
এই ঘটনার পর রাজনৈতিক পরিস্থিতি কেমন হবে তা নিয়ে সবাই উদ্বিগ্ন।
প্রতিবাদকারীরা বলেছে যে তারা ভারতীয় হাইকমিশনের কাছে বাংলাদেশের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করতে চায়।
এই ঘটনাটি বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করে তুলবে বলে মনে করা হচ্ছে।
পুলিশ মিছিলকে বাধা দেওয়ার ঘটনাটি রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে উত্তেজনা বাড়িয়ে তুলবে বলে মনে করা হচ্ছে।
এই ঘটনার পর রাজনৈতিক পরিস্থিতি কেমন হবে তা নিয়ে সবাই উদ্বিগ্ন।
প্রতিবাদকারীরা বলেছে যে তারা ভারতীয় হাইকমিশনের কাছে বাংলাদেশের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করতে চায়।
এই ঘটনাটি বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলবে বলে মনে করা হচ্ছে।
পুলিশ মিছিলকে বাধা দেওয়ার ঘটনাটি রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে উত্তেজনা বাড়িয়ে তুলবে বলে মনে করা হচ্ছে।
এই ঘটনার পর রাজনৈতিক পরিস্থিতি কেমন হবে তা নিয়ে সবাই উদ্বিগ্ন।
প্রতিবাদকারীরা বলেছে যে তারা ভারতীয় হাইকমিশনের কাছে বাংলাদেশের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করতে চায়।
এই ঘটনাটি বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করে তুলবে বলে মনে করা হচ্ছে।
পুলিশ মিছিলকে বাধা দেওয়ার ঘটনাটি রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে উত্তেজনা বাড়িয়ে তুলবে বলে মনে করা হচ্ছে।
এই ঘটনার পর রাজনৈতিক পরিস্থিতি কেমন হবে তা নিয়ে সবাই উদ্বিগ্ন।



