বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল বলেছেন, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নাম পরিবর্তন করা হয়েছে ফ্যাসিস্ট শক্তির একটি পরিকল্পিত চক্রান্ত। তিনি বুধবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব) আয়োজিত এক আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল বলেন, জিয়াউর রহমানের শাহাদাতের পর জাতীয় সংসদে সরকারি ও বিরোধী দল সর্বসম্মতভাবে ঢাকার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নামকরণ করে জিয়াউর রহমান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর। ওই নামের সংক্ষিপ্ত রূপ দেশের মানুষের পাসপোর্টের সিল, আগমন-বহির্গমন ঘোষণায় প্রতিনিয়ত উচ্চারিত হতো।
তিনি বলেন, প্রায় দেড় হাজার কোটি টাকা ব্যয় করে বিমানবন্দরের নাম পরিবর্তন করা হয়েছে কোনো সম্মান বা শ্রদ্ধা থেকে নয়, বরং একটি দূরভিসন্ধিমূলক রাজনৈতিক উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের জন্য। এটি ছিল ইতিহাস বিকৃতি এবং শহীদ জিয়ার নাম মুছে ফেলার নগ্ন প্রচেষ্টা।
আসন্ন রাজনীতি প্রসঙ্গে এই বিএনপি নেতা বলেন, বিএনপির ৩১ দফা হচ্ছে জনগণের জাতীয় মুক্তির সনদ। এই কর্মসূচি বাস্তবায়নের লক্ষ্যেই ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশে ফিরছেন। ২৫ ডিসেম্বর তারেক রহমানের দেশে প্রত্যাবর্তনের মাধ্যমে বাংলাদেশে গণতন্ত্রের পুনরুত্থানের নতুন অধ্যায় শুরু হবে।
সভায় সভাপতিত্ব করেন ড্যাবের সভাপতি অধ্যাপক ডা. হারুন আল রশীদ। এতে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য অধ্যাপক ড. আব্দুল মঈন খান, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য অধ্যাপক ডা. ফরহাদ হালিম ডোনার ও সংগঠনের মহাসচিব ডা. মো. জহিরুল ইসলাম শাকিল।
বিএনপি নেতা মোয়াজ্জেম হোসেন আলালের এই মন্তব্য বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে নতুন মাত্রা যোগ করবে বলে মনে করা হচ্ছে। বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে দলটি দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
বিএনপির ৩১ দফা কর্মসূচি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দেশে প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে নতুন মাত্রা যোগ করবে বলে মনে করা হচ্ছে। এই প্রত্যাবর্তনের মাধ্যমে বাংলাদেশে গণতন্ত্রের পুনরুত্থানের নতুন অধ্যায় শুরু হবে বলে আশা করা হচ্ছে।



