আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল সজীব ওয়াজেদ জয়ের পক্ষে স্টেট ডিফেন্স নিয়োগ দিয়েছে। বুধবার ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ নিয়োগ দেয়।
এ মামলায় আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠনের বিষয়ে শুনানির জন্য আগামী ৭ জানুয়ারি ঠিক করা হয়েছে। এ মামলায় অপর আসামি সাবেক আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক।
গত ৪ ডিসেম্বর এই দুজনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নেয় ট্রাইব্যুনাল। একইসঙ্গে জয়ের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়।
জুলাই-আগস্টে ইন্টারনেট বন্ধ করে গণহত্যায় উসকানির দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী স্বৈরাচার শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়ের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।
এর আগে, জয়কে হাজিরে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দেয় ট্রাইব্যুনাল। ১০ ডিসেম্বর এ আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন দুই সদস্যের বিচারিক প্যানেল।
জয়ের পক্ষে স্টেট ডিফেন্স নিয়োগের আবেদন করেন চিফ প্রসিকিউটর। পরে সরকারি খরচে স্টেট ডিফেন্স নিয়োগ দেয় ট্রাইব্যুনাল।
এ মামলায় পরবর্তী শুনানির জন্য আগামী ৭ জানুয়ারি ঠিক করা হয়েছে। এদিন আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠনের বিষয়ে শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।
এ মামলায় সাবেক আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলককে আজ সকালে কারাগার থেকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করে পুলিশ। তার উপস্থিতিতে আজ শুনানি করেন চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম।
জয়েরও আজ ট্রাইব্যুনালে হাজিরের নির্দেশ ছিল। এজন্য দুটি জাতীয় পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। তবে পলাতক থাকায় জয়ের পক্ষে স্টেট ডিফেন্স নিয়োগের আবেদন করেন চিফ প্রসিকিউটর।
পরে সরকারি খরচে স্টেট ডিফেন্স নিয়োগ দেয় ট্রাইব্যুনাল।
এ মামলায় আসামি জুনায়েদ আহমেদ পলক এবং সজীব ওয়াজেদ জয়ের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নেয় ট্রাইব্যুনাল।
একইসঙ্গে জয়ের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়।
এই মামলায় পরবর্তী শুনানির জন্য আগামী ৭ জানুয়ারি ঠিক করা হয়েছে।
এদিন আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠনের বিষয়ে শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।
এ মামলায় সাবেক আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলককে আজ সকালে কারাগার থেকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করে পুলিশ।
তার উপস্থিতিতে আজ শুনানি করেন চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম।
জয়েরও আজ ট্রাইব্যুনালে হাজিরের নির্দেশ ছিল।
এজন্য দুটি জাতীয় পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়।
তবে পলাতক থাকায় জয়ের পক্ষে স্টেট ডিফেন্স নিয়োগের আবেদন করেন চিফ প্রসিকিউটর।
পরে সরকারি খরচে স্টেট ডিফেন্স নিয়োগ দেয় ট্রাইব্যুনাল।



