প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ বুধবার বিকেল ৩টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর নতুন এজলাস উদ্বোধন করেন। এই ট্রাইব্যুনালটি মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারকার্য পরিচালনার জন্যে সংস্কার করা হয়েছে।
আওয়ামী লীগের শাসনামলে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার এখন দু’টি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে চলছে। এতদিন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল প্রাঙ্গণের টিনশেড ভবনে ট্রাইব্যুনাল-২ এর কার্যক্রম চলছিল।
এই অনুষ্ঠানে ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদার ও ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীসহ অন্যান্য বিচারকরা উপস্থিত ছিলেন।
টানা সংস্কারকাজ শেষে উদ্বোধনের পর এখন থেকে নতুন এজলাসে চলবে ট্রাইব্যুনাল-২ এর বিচারকাজ। এই ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার আরও দ্রুত ও সঠিকভাবে সম্পন্ন হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এই উদ্বোধনের মাধ্যমে বাংলাদেশের আইনি ব্যবস্থায় একটি নতুন ধাপ যোগ হয়েছে। এই ট্রাইব্যুনালের কার্যক্রম মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
এই উদ্বোধনের পর বাংলাদেশের আইনি ব্যবস্থায় আরও উন্নতি আসবে বলে আশা করা হচ্ছে। এই ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার আরও কার্যকর হবে।
এই উদ্বোধনের মাধ্যমে বাংলাদেশের আইনি ব্যবস্থায় একটি নতুন যুগ শুরু হয়েছে। এই ট্রাইব্যুনালের কার্যক্রম মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
এই উদ্বোধনের পর বাংলাদেশের আইনি ব্যবস্থায় আরও উন্নতি আসবে বলে আশা করা হচ্ছে। এই ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার আরও কার্যকর হবে।
এই উদ্বোধনের মাধ্যমে বাংলাদেশের আইনি ব্যবস্থায় একটি নতুন ধাপ যোগ হয়েছে। এই ট্রাইব্যুনালের কার্যক্রম মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
এই উদ্বোধনের পর বাংলাদেশের আইনি ব্যবস্থায় আরও উন্নতি আসবে বলে আশা করা হচ্ছে। এই ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার আরও কার্যকর হবে।
এই উদ্বোধনের মাধ্যমে বাংলাদেশের আইনি ব্যবস্থায় একটি নতুন যুগ শুরু হয়েছে। এই ট্রাইব্যুনালের কার্যক্রম মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
এই উদ্বোধনের পর বাংলাদেশের আইনি ব্যবস্থায় আরও উন্নতি আসবে বলে আশা করা হচ্ছে। এই ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার আরও কার্যকর হবে।
এই উদ্বোধনের মাধ্যমে বাংলাদেশের আইনি ব্যবস্থায় একটি নতুন ধাপ যোগ হয়েছে। এই ট্রাইব্যুনালের কার্যক্রম মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
এই উদ্বোধনের পর বাংলাদেশের আইনি ব্যবস্থায় আরও উন্নতি আসবে বলে আশা করা হচ্ছে। এই ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার আরও কার্যকর হবে।
এই উদ্বোধনের মাধ্যমে বাংলাদেশের আইনি ব্যবস্থায় একটি নতুন যুগ



