আগামী ১২ই ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ১৩তম জাতীয় নির্বাচন ও গণভোটের জন্য নির্বাচন কমিশন সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে তাদের বিদ্যমান সিসিটিভি ক্যামেরা সক্রিয় রাখার নির্দেশ দিয়েছে।
নির্বাচন কমিশনের একটি অফিস আদেশ জারি করে এই নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। এই নির্দেশনা শিক্ষা মন্ত্রণালয়, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং স্থানীয় সরকার বিভাগে পাঠানো হয়েছে।
নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী, ভোটারদের জন্য ভোটগ্রহণের জায়গা প্রস্তুত করতে হবে এবং ভোটগ্রহণ কেন্দ্রের অবকাঠামোগত ত্রুটিগুলি মেরামত করতে হবে।
এছাড়াও, বিদ্যুৎ সংযোগ ছাড়া কেন্দ্রগুলোতে বিদ্যুৎ সংযোগ প্রদান করতে হবে এবং বিদ্যমান সিসিটিভি সিস্টেমগুলি সক্রিয় রাখতে হবে।
নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে যে সিসিটিভি কভারেজ ছাড়া কেন্দ্রগুলোতে ব্যবস্থাপনা কমিটি বা কর্তৃপক্ষকে অন্তত ভোটগ্রহণের দিনের জন্য সিসিটিভি স্থাপনের ব্যবস্থা করতে হবে।
উপরন্তু, উপ-বিভাগীয় কমিশনার, পুলিশ সুপার এবং উপজেলা নির্বাহী অফিসারদেরকে ব্যক্তিগতভাবে ভোটগ্রহণ কেন্দ্রগুলি পরিদর্শন করতে হবে।
প্রতিবন্ধী, বয়স্ক এবং গর্ভবতী নারীদের ভোটগ্রহণে সহায়তা করার জন্য বিশেষ ব্যবস্থা করতে হবে বলে নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়েছে।
নির্বাচন কমিশনের এই নির্দেশনা অনুযায়ী, সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে তাদের সিসিটিভি ক্যামেরা সক্রিয় রাখতে হবে এবং ভোটগ্রহণ কেন্দ্রগুলোতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে।
এই নির্দেশনা অনুযায়ী, নির্বাচন কমিশন ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়াকে স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ করার লক্ষ্যে কাজ করছে।
ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য এই ধরনের নির্দেশনা গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।
নির্বাচন কমিশনের এই উদ্যোগ ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়াকে আরও সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য নির্বাচন কমিশনের এই ধরনের পদক্ষেপ প্রশংসনীয় বলে মনে করা হচ্ছে।
নির্বাচন কমিশনের এই নির্দেশনা অনুযায়ী, সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে তাদের সিসিটিভি ক্যামেরা সক্রিয় রাখতে হবে এবং ভোটগ্রহণ কেন্দ্রগুলোতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে।
এই নির্দেশনা অনুযায়ী, নির্বাচন কমিশন ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়াকে স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ করার লক্ষ্যে কাজ করছে।
নির্বাচন কমিশনের এই উদ্যোগ ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়াকে আরও সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
নির্বাচন কমিশনের এই ধরনের পদক্ষেপ ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে বলে মনে করা হচ্ছে।
নির্বাচন কমিশনের এই নির্দেশনা অনুযায়ী, সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে তাদের সিসিটিভি ক্যামেরা সক্রিয় রাখতে হবে এবং ভোটগ্রহণ কেন্দ্রগুলোতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে।
এই নির্দেশনা অনুযায়ী, নির্বাচন কমিশন ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়াকে স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ করার লক



