সরকার প্রত্যেক নাগরিকের জন্য একটি করে ডিজিটাল ডেটা ওয়ালেট চালুর পরিকল্পনা নিয়েছে। এই ডেটা ওয়ালেটে নাগরিকের জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত প্রয়োজনীয় তথ্য সুরক্ষিতভাবে সংরক্ষিত থাকবে। সেই সঙ্গে নাগরিকের সম্মতির ভিত্তিতে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য সংশ্লিষ্ট সংস্থা বা সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান ওই তথ্য ব্যবহার করতে পারবে।
বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত ‘বিল্ডিং ট্রাস্ট অ্যান্ড সাসটেইনেবিলিটি থ্রু ডেটা গভর্ন্যান্স’ শীর্ষক আন্তর্জাতিক সম্মেলনে এই তথ্য জানানো হয়। এই সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জানানো হয় যে আইনি ও অবকাঠামোগত ভিত্তি শক্তিশালী করে ভবিষ্যত ডিজিটাল পাবলিক ইনফ্রাস্ট্রাকচারের অংশ হিসেবে এই উদ্যোগ বাস্তবায়নের কথা জানানো হয়।
সরকারি প্রতিষ্ঠান, বিশ্বব্যাংক ও ইউএনডিপির মতো আন্তর্জাতিক সংস্থা, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এবং আইন ও প্রযুক্তি খাতের প্রতিনিধিরা এই সম্মেলনে অংশ নেন। সম্মেলনে তিনটি আলাদা অধিবেশনে ডেটা সুরক্ষা নীতিমালার বাস্তব প্রয়োগ, আন্তর্জাতিক মানের সঙ্গে বাংলাদেশের ডেটা ব্যবস্থাপনার তুলনা এবং ডেটা ব্যবস্থাপনায় পেশাদার হিসাববিদদের ভূমিকা নিয়ে আলোচনা হয়।
সরকার ইতোমধ্যে সাইবার সেফটি, ব্যক্তিগত ডেটা সুরক্ষা ও জাতীয় ডেটা গভর্ন্যান্স এই তিনটি আইনি ভিত্তি গড়ে তোলার কাজ শুরু করেছে। যা ভবিষ্যত ডিজিটাল পাবলিক ইনফ্রাস্ট্রাকচারের মূল স্তম্ভ হবে। এই উদ্যোগ বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশের ডিজিটাল রূপান্তর আরও গতিশীল হবে।
দেশের ডিজিটাল রূপান্তর এখন আর খণ্ডিত প্রকল্প বা অ্যাপভিত্তিক উদ্যোগে সীমাবদ্ধ রাখা যাবে না। এটি একটি দীর্ঘমেয়াদি ও ভিত্তিমূলক রাষ্ট্রীয় রূপান্তর। যার কেন্দ্রে থাকবে ডেটা গভর্ন্যান্স, সাইবার নিরাপত্তা ও নাগরিক অধিকার।
এই উদ্যোগ বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশের ডিজিটাল অবকাঠামো আরও শক্তিশালী হবে। এটি দেশের তথ্য প্রযুক্তি খাতের বিকাশে অবদান রাখবে। এছাড়াও এটি দেশের নাগরিকদের জন্য আরও ভালো সেবা প্রদানের সুযোগ তৈরি করবে।
এই সম্মেলনে অংশগ্রহণকারী বিশেষজ্ঞরা বলেন যে ডেটা সুরক্ষা ও গভর্ন্যান্স একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এটি দেশের ডিজিটাল রূপান্তরের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তারা বলেন যে সরকারকে এই বিষয়ে আরও সচেতন হতে হবে। এছাড়াও তারা বলেন যে দেশের নাগরিকদেরকেও এই বিষয়ে সচেতন করতে হবে।
এই সম্মেলনের মাধ্যমে দেশের ডিজিটাল রূপান্তরের বিষয়ে আরও গুরুত্বপূর্ণ ধারণা পাওয়া যায়। এটি দেশের তথ্য প্রযুক্তি খাতের বিকাশে অবদান রাখবে। এছাড়াও এটি দেশের নাগরিকদের জন্য আরও ভালো সেবা প্রদানের সুযোগ তৈরি করবে।
সবশেষে, এই সম্মেলনের মাধ্যমে দেশের ডিজিটাল রূপান্তরের বিষয়ে আরও গুরুত্বপূর্ণ ধারণা পাওয়া যায়। এটি দেশের তথ্য প্রযুক্তি খাতের বিকাশে অবদান রাখবে। এছাড়াও এটি দেশের নাগরিকদের জন্য আরও ভালো সেবা প্রদানের সুযোগ তৈরি করবে।



