দিল্লির একটি আদালত ন্যাশনাল হেরাল্ড মামলায় সোনিয়া গান্ধী ও রাহুল গান্ধীর বিরুদ্ধে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের চার্জশিট আমলে নিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। এই রায়ের পর কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের পদত্যাগ দাবি করেছেন।
খাড়গে বলেছেন, এই রায় মোদি ও শাহের মুখে চড় মারার মতো। তিনি আরও বলেছেন, ভবিষ্যতে জনগণকে হয়রানি না করার শর্তে তাদের পদত্যাগ দাবি করা হচ্ছে। খাড়গে অভিযোগ করেছেন যে, গান্ধী পরিবারকে হয়রানি করতেই ন্যাশনাল হেরাল্ড মামলাটি করা হয়েছে।
ন্যাশনাল হেরাল্ড মামলাটি ২০১৩ সালে প্রথম দুর্নীতির অভিযোগ তুলেছিল বিজেপি। পরবর্তীতে ২০১৪ সালে নরেন্দ্র মোদির সরকার ক্ষমতায় আসার পর এই বিষয়টি নিয়ে নতুন করে আইনি তৎপরতা শুরু হয়। এই মামলায় অভিযুক্তদের তালিকায় গান্ধী পরিবারের সদস্য ছাড়াও সুমন দুবে, সাম পিত্রোদা, ইয়ং ইন্ডিয়ান, ডোটেক্স মার্কানডিসে ও সুনীল ভাণ্ডারীর নাম রয়েছে।
আদালতের সাম্প্রতিক আদেশের ফলে এই মামলার আইনি ভিত্তি বড় ধরনের সংকটের মুখে পড়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। খাড়গে বলেছেন, এই মামলাটি সম্পূর্ণ মিথ্যা এবং রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। এই রায়ের পর ভারতের রাজনৈতিক দৃশ্যপট আরও উত্তপ্ত হবে বলে মনে করা হচ্ছে।
ভারতের সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমসের এক প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, জওহরলাল নেহরু প্রতিষ্ঠিত ন্যাশনাল হেরাল্ড সংবাদপত্র নিয়ে ২০১৩ সালে প্রথম দুর্নীতির অভিযোগ তুলেছিল বিজেপি। পরবর্তীতে ২০১৪ সালে নরেন্দ্র মোদির সরকার ক্ষমতায় আসার পর এই বিষয়টি নিয়ে নতুন করে আইনি তৎপরতা শুরু হয়।
এই ঘটনার পর ভারতের রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে উত্তেজনা বাড়বে বলে মনে করা হচ্ছে। খাড়গের পদত্যাগ দাবি ভারতের রাজনৈতিক দৃশ্যপটে একটি নতুন মোড় নিয়ে আসবে বলে মনে করা হচ্ছে।



