রংপুরের কারমাইকেল কলেজ বাংলাদেশের একটি ঐতিহাসিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এটি ১৯১৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। কিন্তু বর্তমানে এই কলেজটি শিক্ষক সংকট, অপর্যাপ্ত ক্লাসরুম, ভঙ্গুর অবকাঠামো এবং ছাত্রদের জন্য খারাপ আবাসন সুবিধার মতো বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে।
কারমাইকেল কলেজে ১৮৩টি অনুমোদিত শিক্ষক পদের মধ্যে ১৮টি পদ খালি আছে। প্রায় ২৫,০০০ ছাত্র ভর্তি থাকলেও কলেজটির শিক্ষক-ছাত্র অনুপাত প্রায় ১:১৫১। ছাত্ররা বলছে যে শিক্ষকের অভাবের কারণে প্রায়ই ক্লাস বাতিল হয়ে যায় এবং তাদের বেসরকারি কোচিংয়ের উপর নির্ভর করতে হয়।
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়ম অনুসারে, ৬০ শতাংশ ক্লাস অবশ্যই অনুষ্ঠিত হতে হবে। কিন্তু বর্তমান শিক্ষক সংকটের কারণে এটি সম্ভব হচ্ছে না। কলেজ সূত্রগুলি বলছে যে ক্লাসরুম এবং ল্যাবরেটরির অভাব, অডিটরিয়ামের অভাব এবং খারাপ পরিবহন ব্যবস্থার কারণে একাডেমিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে।
কলেজের আটটি ছাত্রাবাস শুধুমাত্র প্রায় পাঁচ শতাংশ ছাত্রকে স্থান দিতে পারে। বাকি ছাত্ররা পার্শ্ববর্তী এলাকায় অনেক বেশি খরচে বেসরকারি হোস্টেলে থাকে। একজন ছাত্র বলছে, ‘আমার মাসিক খরচ একটি বেসরকারি হোস্টেলে পাঁচ হাজার টাকার বেশি, যা আমার জন্য ভারী বোঝা। যদি আমার কলেজের ছাত্রাবাসে স্থান পাই, তাহলে খরচ অনেক কম হতো।’
ছাত্ররা আরও বলছে যে তারা যে হোস্টেলে থাকে সেগুলোতে স্বাস্থ্যকর বাসস্থানের অভাব রয়েছে। সেখানে সুস্থ খাবার এবং নিরাপত্তারও কোনো নিশ্চয়তা নেই।
সম্প্রতি, ছাত্র ও কলেজ প্রতিনিধিদের একটি প্রতিনিধি দল
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে শিক্ষক সংকট দূর করার জন্য সরকারকে পদক্ষেপ নিতে হবে। ছাত্রদের ভবিষ্যত গঠনে শিক্ষা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তাই, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে আরও উন্নত করার জন্য সরকারকে বিভিন্ন উদ্যোগ নিতে হবে।
আপনি কি মনে করেন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে শিক্ষক সংকট দূর করার জন্য কী করা উচিত? আপনার মতামত আমাদের সাথে শেয়ার করুন।



