ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সেক্রেটারি জেনারেল নুরুল ইসলাম সাদ্দাম মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস নিয়ে মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেছেন, স্বাধীনতা-পরবর্তী সময়ে লেখা ইতিহাসের একটি বড় অংশ ‘মিথ্যা বয়ান দিয়ে লেখা হয়েছে’।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিরাজুল ইসলাম লেকচার হলে এক সেমিনারে তিনি এ কথা বলেন। বিজয় দিবস উপলক্ষে ‘বিজয়ের ৫৪ বছর, স্বাধীনতার আলোয় আগামীর নির্মাণ’ শীর্ষক এই সেমিনারের আয়োজন করে ছাত্রশিবিরের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা।
নুরুল ইসলাম সাদ্দাম সেমিনারে প্রশ্ন তুলে বলেন, স্বাধীনতার পরপরই যাঁরা ক্ষমতায় ছিলেন, তাঁরা কী কারণে তৎকালীন সময়ে মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের তালিকা করেননি? তিনি বলেন, একেক সরকারের শাসনামলে নতুন নতুন মুক্তিযোদ্ধার তালিকা করা হয়েছে।
ইসলামী ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি জেনারেল আরও বলেন, এর মধ্য দিয়ে অর্থনৈতিক বন্দোবস্ত নিজেদের পকেটে নিয়ে জাতির মধ্যে একটি বিভাজনের রাজনীতি করা হয়েছে। এটি ছিল খুবই সূক্ষ্ম একটি রাজনৈতিক কৌশল।
নুরুল ইসলাম সাদ্দাম বলেন, ‘প্রতিষ্ঠার পর থেকেই ছাত্রশিবির স্বাধীনতাকে ধারণ করে দেশের সার্বভৌমত্বকে অক্ষুণ্ন রাখতে কাজ করছে।
সেমিনারে ইউনাইটেড পিপলস বাংলাদেশের (আপ বাংলাদেশ) প্রধান সমন্বয়কারী রাফে সালমান রিফাত বলেন, ‘১৯৪৭ থেকে ১৯৭১ পর্যন্ত নানা উত্থান–পতনের মধ্য দিয়ে রক্তক্ষয়ী লড়াইয়ের মাধ্যমে আমরা নতুন বাংলাদেশ রাষ্ট্রটি পেয়েছি।
রাফে সালমান রিফাত বলেন, ‘তৎকালীন পাকিস্তানি সামরিক বাহিনী ও শাসকগোষ্ঠী যে নিঃসন্দেহে নির্বিচার আমাদের ওপর নৃশংস গণহত্যা চালিয়েছে, এ ব্যাপারে কোনো সন্দেহ নেই।
বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে আলোচনার বিষয়ে রাফে সালমান রিফাত বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবকে নিয়ে যত ধরনের বিতর্ক বা আলাপ–আলোচনা আছে, তার মধ্যে পরস্পরবিরোধী অনেক দিক ও প্রেক্ষাপট রয়েছে।
সেমিনারে অনেকেই মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস নিয়ে আলোচনা করেন। তাঁরা বলেন, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস সঠিকভাবে লেখা হয়নি।
মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস নিয়ে এই আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। অনেকেই বলছেন, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস সঠিকভাবে লেখা হলে দেশের ভবিষ্যৎ সুগঠিত হবে।
মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস নিয়ে এই আলোচনা থেকে বোঝা যায়, দেশের মানুষ মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস সম্পর্কে সচেতন।
মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস নিয়ে এই আলোচনা থেকে বোঝা যায়, দেশের মানুষ মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে সম্মান করে।
মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস নিয়ে এই আলোচনা থেকে বোঝা যায়, দেশের মানুষ মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে ভুলতে চায় না।
মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস নিয়ে এই আলোচনা থেকে বোঝা যায়, দেশের মানুষ মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে সংরক্ষণ করতে চায়।
মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস নিয়ে এই আলোচনা থেকে বোঝা যায়, দেশের মানুষ মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে সম্মান করে এবং সংরক্ষণ করতে চায়।
মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস নিয়ে এই আলোচনা থেকে বোঝা যায়, দেশের মানুষ মুক্তিযুদ্ধের ই



