ব্রাউন বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি লেকচার হলে গুলি চালানোর ঘটনায় জড়িত হামলাকারীর সন্ধানে পুলিশ নতুন একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে। এই ভিডিওটি একজন ব্যক্তিকে দেখাচ্ছে যাকে পুলিশ সন্দেহ করছে হামলার সাথে জড়িত থাকতে পারে।
হামলার চার দিন পরেও পুলিশ এখনও কোনো সন্দেহভাজনকে চিহ্নিত করতে পারেনি, যার ফলে সম্প্রদায় উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতিতে রয়েছে। মঙ্গলবার, পুলিশ একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে যেখানে একজন ব্যক্তি কালো পোশাক পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে হাঁটছে।
এই ভিডিওটি হামলার দুই ঘন্টা আগে রেকর্ড করা হয়েছিল। পুলিশ স্থানীয় বাসিন্দাদের তাদের নিরাপত্তা ক্যামেরাগুলি পরীক্ষা করতে বলছে যাতে তারা কোনো সন্দেহজনক ব্যক্তির ভিডিও ধারণ করেছে কিনা।
ভিডিওটিতে দেখা যাচ্ছে যে ব্যক্তি মুখ ও নাক ঢেকে রাখার জন্য একটি কালো মাস্ক পরে আছে এবং মাথায় একটি কালো টুপি রয়েছে। পুলিশ বিশ্বাস করে যে এই ব্যক্তি হামলার আগে এলাকাটি পর্যবেক্ষণ করছিল।
পুলিশ প্রধান ওসকার পেরেজ বলেছেন যে ভিডিওটি দেখে মনে হচ্ছে ব্যক্তি হামলার আগে এলাকাটি পরিদর্শন করছিল। তিনি জনগণকে ভিডিওটিতে পরিচিত কোনো বিষয় খুঁজে পেতে বলেছেন।
তদন্তকারীরা বলছেন যে হামলাকারীকে ভিতরের কোনো সিসিটিভি ক্যামেরা ধারণ করতে পারেনি। তারা এখনও কোনো সন্দেহভাজনকে চিহ্নিত করতে পারেনি।
রোড আইল্যান্ডের অ্যাটর্নি জেনারেল পিটার নেরোনহা বলেছেন যে তদন্ত ভালোভাবে এগিয়ে চলছে এবং জনগণকে ধৈর্য ধরে রাখতে বলেছেন।
পুলিশ এখনও হামলার কারণ সম্পর্কে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি। তারা জনগণকে সতর্ক থাকতে বলছে এবং যে কোনো সন্দেহজনক কার্যকলাপ দেখলে তা পুলিশের কাছে রিপোর্ট করতে বলছে।
এই ঘটনায় দুজন মারা গেছে এবং নয়জন আহত হয়েছে। পুলিশ এখনও হামলাকারীর সন্ধানে ব্যস্ত।
পুলিশ বিশ্বাস করে যে হামলাকারী একা কাজ করেছে। তারা এখনও হামলার কারণ সম্পর্কে তদন্ত করছে।
এই ঘটনায় স্থানীয় সম্প্রদায় খুবই উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতিতে রয়েছে। পুলিশ জনগণকে সতর্ক থাকতে বলছে এবং যে কোনো সন্দেহজনক কার্যকলাপ দেখলে তা পুলিশের কাছে রিপোর্ট করতে বলছে।
পুলিশ এখনও হামলাকারীর সন্ধানে ব্যস্ত। তারা জনগণকে সহযোগিতা করতে বলছে এবং যে কোনো সন্দেহজনক কার্যকলাপ দেখলে তা পুলিশের কাছে রিপোর্ট করতে বলছে।
এই ঘটনায় স্থানীয় সম্প্রদায় খুবই উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতিতে রয়েছে। পুলিশ জনগণকে সতর্ক থাকতে বলছে এবং যে কোনো সন্দেহজনক কার্যকলাপ দেখলে তা পুলিশের কাছে রিপোর্ট করতে বলছে।
পুলিশ এখনও হামলাকারীর সন্ধানে ব্যস্ত। তারা জনগণকে সহযোগিতা করতে বলছে এবং যে কোনো সন্দেহজনক কার্যকলাপ দেখলে তা পুলিশের কাছে রিপোর্ট করতে বলছে।



