রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বাদশ সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হচ্ছে আজ। এই সমাবর্তনে ৬০, ৬১ ও ৬২তম ব্যাচের মোট ৫ হাজার ৯৬৯ জন শিক্ষার্থী অংশ নেবেন। সমাবর্তনের সার্বিক প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
দ্বাদশ সমাবর্তনে সভাপতি হিসেবে থাকবেন অন্তর্বর্তী সরকারের শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. চৌধুরী রফিকুল আবরার। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ এবং সমাবর্তন বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেবেন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এসএমএ ফায়েজ।
সমাবর্তনের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হবে সকাল সাড়ে ৮টায়। শোভাযাত্রা, স্বাগত বক্তব্য, ডিগ্রি প্রদান, সমাবর্তন বক্তৃতা ও সভাপতির বক্তব্যের মাধ্যমে প্রথম পর্ব শেষ হবে। পরে দুপুর আড়াইটায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে দ্বাদশ সমাবর্তনের আনুষ্ঠানিকতা শেষ হবে।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সমাবর্তনের জন্য বিশাল প্যান্ডেল প্রস্তুত করেছে। প্রায় সাত হাজার দর্শকের ধারণক্ষমতাসম্পন্ন এই প্যান্ডেলে তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে ফ্যান বসানো হয়েছে এবং স্থাপন করা হয়েছে বড় এলইডি স্ক্রিন। সাবেক শিক্ষার্থীদের পদচারণে পুরো ক্যাম্পাসে এখন উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে।
নিরাপত্তা ব্যবস্থার বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মাহবুবর রহমান বলেছেন, আমাদের সব আয়োজন সম্পন্ন হয়েছে। পুলিশ প্রশাসনের পাশাপাশি প্রক্টর দলও নিরাপত্তা ব্যবস্থা পর্যবেক্ষণ করছে।
সমাবর্তনের আগে সাবেক শিক্ষার্থীদের একাংশ কিছু দাবি জানিয়েছিল। তবে এসবের মধ্যেই নির্ধারিত সময় ও আয়োজনে সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন আশা করছে সমাবর্তন সফলভাবে শেষ হবে।
শিক্ষার্থীদের জন্য সমাবর্তন একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তারা তাদের শিক্ষাজীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটায়। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন শিক্ষার্থীদের জন্য এই অনুষ্ঠানটি সফল ও স্মরণীয় করার জন্য সকল প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।
সমাবর্তনের মতো অনুষ্ঠানগুলো শিক্ষার্থীদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই অনুষ্ঠানগুলোর মাধ্যমে তারা তাদের শিক্ষাজীবনের অভিজ্ঞতা ও স্মৃতিগুলো সংরক্ষণ করতে পারে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে এই অনুষ্ঠানগুলোকে সফল ও স্মরণীয় করার জন্য সকল প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত।
শিক্ষার্থীদের জন্য সমাবর্তনের মতো অনুষ্ঠানগুলো একটি অনন্য অভিজ্ঞতা প্রদান করে। এই অনুষ্ঠানগুলোর মাধ্যমে তারা তাদের শিক্ষাজীবনের সফলতা ও অর্জনগুলো উদযাপন করতে পারে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে এই অনুষ্ঠানগুলোকে সফল ও স্মরণীয় করার জন্য সকল প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত।
সমাবর্তনের মতো অনুষ্ঠানগুলো শিক্ষার্থীদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ অভিজ্ঞতা প্রদান করে। এই অনুষ্ঠানগুলোর মাধ্যমে তারা তাদের শিক্ষাজীবনের সফলতা ও অর



