মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ভেনেজুয়েলায় নিষেধাজ্ঞাপ্রাপ্ত তেল ট্যাঙ্কারে সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করার ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি ভেনেজুয়েলাকে মার্কিন সম্পদ চুরি করার এবং সন্ত্রাসবাদ, মাদক চোরাচালান ও মানব পাচারের অভিযোগ এনেছেন।
ভেনেজুয়েলার উপকূলে একটি তেল ট্যাঙ্কার বাজেয়াপ্ত করার এক সপ্তাহ পর এই ঘোষণা এসেছে। এই ঘটনাটি ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোর সরকারের বিরুদ্ধে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের চাপ বাড়িয়ে দিয়েছে।
ট্রাম্প বলেছেন যে ভেনেজুয়েলা চুরি করা তেল ব্যবহার করে সন্ত্রাসবাদ, মাদক চোরাচালান ও মানব পাচার অর্থায়ন করছে। তিনি আরও বলেছেন যে ভেনেজুয়েলা সম্পূর্ণভাবে বিশাল নৌবাহিনীর ঘেরায় রয়েছে।
ভেনেজুয়েলা এখনও ট্রাম্পের এই ঘোষণার প্রতিক্রিয়া জানায়নি। মার্কিন সরকার ভেনেজুয়েলাকে মাদক চোরাচালানের অভিযোগ এনেছে এবং সেপ্টেম্বর মাস থেকে মার্কিন সামরিক বাহিনী কমপক্ষে ৯০ জনকে হত্যা করেছে যাদেরকে তারা মাদক চোরাচালানকারী বলে মনে করে।
ভেনেজুয়েলা বিশ্বের বৃহত্তম প্রমাণিত তেল সঞ্চয়ের দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম। ভেনেজুয়েলা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে অভিযুক্ত করেছে যে তারা তাদের সম্পদ চুরি করার চেষ্টা করছে।
এই ঘটনার পরবর্তী ধাপ কী হবে তা এখনও পরিষ্কার নয়। তবে এটা নিশ্চিত যে এই ঘটনা ভেনেজুয়েলা ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে উত্তেজনা বাড়িয়ে দেবে।
ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো এখনও ট্রাম্পের ঘোষণার প্রতিক্রিয়া জানাননি। তবে তিনি আগেও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন।
এই ঘটনা ভেনেজুয়েলা ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সম্পর্ককে আরও খারাপ করে দেবে। এটা দুই দেশের মধ্যে একটি নতুন সংকটের সৃষ্টি করবে।



