বঙ্গোপসাগরে একটি ভারতীয় মাছ ধরার ট্রলার ডুবির ঘটনায় বাংলাদেশ নৌবাহিনীকে জড়িত থাকার অভিযোগ ভারতীয় গণমাধ্যমে প্রচারিত হয়েছে। কিন্তু বাংলাদেশ এই অভিযোগকে প্রত্যাখ্যান করেছে।
আন্ত বাহিনী সংযোগ পরিদপ্তরের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ভারতীয় ট্রলার এফবি পারমিতা-১০ যখন দুর্ঘটনার কবলে পড়ে, তখন নৌবাহিনীর টহল জাহাজ ঘটনাস্থল থেকে ১২ মাইলেরও বেশি দূরে বাংলাদেশের জলসীমায় অবস্থান করছিল।
ভারতীয় কর্তৃপক্ষ নিজেরাই দুর্ঘটনার কথা জানিয়ে সহায়তা চেয়েছে, সেখানে উল্টো নৌবাহিনীকে জড়িত করার অভিযোগ তোলাটা অত্যন্ত দুঃখজনক ও অনাকাঙ্ক্ষিত।
গত সোমবার ভারতীয় জলসীমায় ‘এফবি পারমিতা-১০’ নামের ট্রলারটি দুর্ঘটনার শিকার হয়। সেদিন বিকেল ৩টা ১৫ মিনিটে ভারতীয় কোস্ট গার্ডের মেরিটাইম রেসকিউ কো-অর্ডিনেশন সেন্টার (এমআরসিসি), চেন্নাই থেকে ই-মেইলের মাধ্যমে ঢাকার এমআরসিসি-কে বিষয়টি জানানো হয়।
ভারতীয় বার্তায় বলা হয়, ১৬ জন জেলের মধ্যে ১১ জনকে উদ্ধার করা গেলেও ৫ জন নিখোঁজ রয়েছেন এবং স্রোতের টানে তারা বাংলাদেশের জলসীমায় ভেসে আসতে পারেন এই আশঙ্কায় বাংলাদেশের সহায়তা কামনা করা হয়।
ই-মেইল পাওয়ার পরপরই মানবিক কারণে বাংলাদেশ নৌবাহিনী তাদের টহল জাহাজকে দ্রুত অনুসন্ধান কার্যক্রমের নির্দেশ দেয় এবং ভারতীয় কোস্ট গার্ড ও স্থানীয় জেলেদের সাথে সমন্বয় করে বাংলাদেশের জলসীমায় উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করে।
নৌবাহিনী জানায়, প্রতিবেশী দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের জন্য ক্ষতিকর এ ধরনের অপপ্রচার রোধে সংশ্লিষ্ট সকলকে দায়িত্বশীল হওয়া জরুরি।
এদিকে প্রকৃত ঘটনা ও দাপ্তরিক যোগাযোগের বিষয়টি আড়াল করে ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলো এই দুর্ঘটনাকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা করছে। অধিকাংশ মিডিয়াই দাবি করেছে, বাংলাদেশ নৌবাহিনীর জাহাজের ধাক্কাতেই ট্রলারটি ডুবেছে।
আনন্দবাজার পত্রিকা, বার্তা সংস্থা ইউএনআই এবং দ্য হান্স ইন্ডিয়া তাদের প্রতিবেদনে অভিযোগ করেছে, রবিবার গভীর রাতে বা সোমবার ভোরে ঘন কুয়াশার সুযোগ নিয়ে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর একটি জাহাজ আলো নিভিয়ে ভারতীয় জলসীমায় অনুপ্রবেশ করে এবং ‘এফবি পারমিতা’ ট্রলারটিকে ধাক্কা দেয়। তাদের প্রতিবেদনে আরও দাবি করা হয়, ধাক্কা দেওয়ার পর কনকনে ঠান্ডা পানিতে ভাসতে থাকা জেলেদের উদ্ধার না করেই বাংলাদেশি জাহাজটি দ্রুত সরে যায়।
এই ঘটনায় বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে উত্তেজনা বাড়তে পারে। দুই দেশের মধ্যে সীমান্ত এলাকায় নৌবাহিনীর উপস্থিতি বাড়ানোর সম্ভাবনা রয়েছে। এই পরিস্থিতি দুই দেশের মধ্যে সম্পর্কের উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
বাংলাদেশ নৌবাহিনী এই অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে এবং দাবি করেছে যে তারা ভারতীয় ট্রলারের উদ্ধারে সহায়তা করেছে। এই ঘটনায় দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক আরও উত্তেজনাপূর্ণ হতে পারে। দুই দেশের মধ্যে ক



