ঈদ-উল-ফিতরের আগে বাজারে জাল পোশাকের লেবেল ব্যবহার করে ভোক্তাদের প্রতারণা করা হচ্ছে। এই অবস্থা দেখে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার কথা ভাবছে।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের মূল্য পর্যবেক্ষণ ও পূর্বাভাস কোষ ইতিমধ্যেই একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে, যেখানে বলা হয়েছে যে পোশাকের উৎপত্তি, ব্র্যান্ড বা মূল্য সম্পর্কে মিথ্যা তথ্য দিয়ে পণ্য বিক্রি করা একটি দণ্ডনীয় অপরাধ।
ঈদ-উল-ফিতর বাংলাদেশের বৃহত্তম খুচরা বিক্রয় মৌসুম, যখন অনেক ব্যবসায়ী উল্লেখযোগ্য লাভ করে, বিশেষ করে পোশাকের বিক্রয় থেকে। এই সময়ে, ভোক্তারা প্রায়শই বাজারে মূল্য বৃদ্ধির সম্মুখীন হয়, বিশেষ করে ঢাকা ও অন্যান্য শহরের আবাসিক এলাকায়।
কিছু ব্যবসায়ী পোশাকের কাপড় গুলিশান, বনানী এবং বাশুন্ধরার মতো ধনী এলাকায় বিক্রি করার আগে ইসলামপুরের মতো পুরান ঢাকার মতো জায়গায় কেনে এবং সেগুলিকে ভারত, পাকিস্তান বা অন্যান্য দেশ থেকে আমদানি করা হয়েছে বলে মিথ্যা দাবি করে।
অনেক ক্ষেত্রে, ব্যবসায়ীরা পোশাকের উপর জাল আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডের লেবেল লাগিয়ে ঈদের মৌসুমে অতিরিক্ত মূল্যে বিক্রি করে।
বাণিজ্য সচিব মাহবুবুর রহমান বলেছেন, ঈদের মৌসুমে মিথ্যা ঘোষণা দিয়ে পণ্য বিক্রি করে অতিরিক্ত লাভ করা হয়। তিনি বলেছেন, কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যাতে তারা ভোক্তাদের প্রতারণা করে এমন অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়।
যদি পণ্যগুলি মিথ্যা ঘোষণা দিয়ে বিক্রি করা হয় তবে কর্তৃপক্ষ সেগুলি বাজেয়াপ্ত বা ধ্বংস করতে পারে, জরিমানা আরোপ করতে পারে এবং এমনকি ব্যবসায়িক লাইসেন্স বাতিল করতে পারে। কিছু ক্ষেত্রে, পণ্যগুলি দোকানের সামনে প্রকাশ্যে ধ্বংস করা যেতে পারে বলে সচিব জানিয়েছেন।
ব্যবসায়ীদের উচিত সতর্ক থাকা এবং আইন মেনে চলা। ভোক্তাদের অধিকার রক্ষা করা সরকারের দায়িত্ব। আশা করা যায় যে সরকারের এই পদক্ষেপ ভোক্তাদের স্বার্থ রক্ষা করতে সাহায্য করবে।
বাজারে জাল পোশাকের লেবেল ব্যবহার করে ভোক্তাদের প্রতারণা করা একটি গুরুতর সমস্যা। এই সমস্যা সমাধানের জন্য সরকারের পদক্ষেপ প্রশংসনীয়। আশা করা যায় যে এই পদক্ষেপ ভোক্তাদের স্বার্থ রক্ষা করতে সাহায্য করবে এবং বাজারে স্বচ্ছতা বৃদ্ধি করবে।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের এই পদক্ষেপ ভোক্তাদের জন্য একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ। এই পদক্ষেপ ভোক্তাদের অধিকার রক্ষা করতে সাহায্য করবে এবং বাজারে স্বচ্ছতা বৃদ্ধি করবে। আশা করা যায় যে এই পদক্ষেপ ভোক্তাদের স্বার্থ রক্ষা করতে সাহায্য করবে এবং বাংলাদেশের অর্থনীতিতে অবদান রাখবে।



