সুদানের এল-ফাশের শহরে গণহত্যার প্রমাণ মুছে ফেলার জন্য র্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেস (আরএসএফ) একটি সমন্বিত প্রচেষ্টা চালাচ্ছে বলে ইয়েল স্কুল অফ পাবলিক হেলথের হিউম্যানিটেরিয়ান রিসার্চ ল্যাব (এইচআরএল) একটি প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছে।
এই প্রতিবেদন অনুযায়ী, আরএসএফ শহরের বেসামরিক নাগরিকদের লক্ষ্য করে গণহত্যা চালিয়েছে এবং পরবর্তীতে মৃতদেহগুলো দাফন ও ধ্বংস করেছে।
এই ঘটনাগুলো ঘটেছে এল-ফাশের শহরে, যা উত্তর দারফুরের রাজধানী।
সুদানে একটি গৃহযুদ্ধ চলছে সুদানিজ সশস্ত্র বাহিনী (এসএএফ) এবং আরএসএফের মধ্যে।
এই যুদ্ধে হাজার হাজার মানুষ নিহত হয়েছে এবং লক্ষ লক্ষ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে।
জাতিসংঘ ও মানবিক সংস্থাগুলো এই পরিস্থিতির তীব্র নিন্দা জানিয়েছে।
ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, আরএসএফ গণহত্যার প্রমাণ মুছে ফেলার জন্য একটি সমন্বিত প্রচেষ্টা চালাচ্ছে।
এই প্রচেষ্টার মধ্যে রয়েছে মৃতদেহগুলো দাফন ও ধ্বংস করা, যাতে গণহত্যার প্রমাণ মুছে যায়।
এই প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে, আরএসএফ এল-ফাশের শহরে গণহত্যা চালিয়েছে এবং পরবর্তীতে মৃতদেহগুলো দাফন ও ধ্বংস করেছে।
সুদানের গৃহযুদ্ধ চলছে ২০২৩ সালের এপ্রিল মাস থেকে।
এই যুদ্ধে হাজার হাজার মানুষ নিহত হয়েছে এবং লক্ষ লক্ষ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে।
জাতিসংঘ ও মানবিক সংস্থাগুলো এই পরিস্থিতির তীব্র নিন্দা জানিয়েছে এবং সংঘর্ষ বন্ধ করার জন্য আহ্বান জানিয়েছে।
ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, আরএসএফ গণহত্যার প্রমাণ মুছে ফেলার জন্য একটি সমন্বিত প্রচেষ্টা চালাচ্ছে।
এই প্রচেষ্টার মধ্যে রয়েছে মৃতদেহগুলো দাফন ও ধ্বংস করা, যাতে গণহত্যার প্রমাণ মুছে যায়।
এই প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে, আরএসএফ এল-ফাশের শহরে গণহত্যা চালিয়েছে এবং পরবর্তীতে মৃতদেহগুলো দাফন ও ধ্বংস করেছে।



