ভুরুঙ্গামারির মুক্তিতে একজন আদিবাসী বীরের অগ্রণী ভূমিকা ছিল। ১৯৭১ সালের ১৩ই নভেম্বর ভুরুঙ্গামারিতে মুক্তিবাহিনী ও ভারতীয় বাহিনীর সম্মিলিত আক্রমণে পাকিস্তানি বাহিনীকে পরাজিত করা হয়। এই যুদ্ধে নায়েক উক্যা চিং মারমার নেতৃত্বে মুক্তিবাহিনী ও ভারতীয় বাহিনী একসাথে লড়াই করেছিল।
নায়েক উক্যা চিং মারমা ছিলেন একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা। তিনি মুক্তিবাহিনীর একটি ইউনিটের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। ভুরুঙ্গামারির যুদ্ধে তাঁর সাহসিকতা ও নেতৃত্বের জন্য তিনি বীর বিক্রম খেতাবে ভূষিত হন। তিনি একমাত্র আদিবাসী মুক্তিযোদ্ধা যিনি এই খেতাব পেয়েছেন।
ভুরুঙ্গামারির যুদ্ধে মুক্তিবাহিনী ও ভারতীয় বাহিনীর সম্মিলিত আক্রমণে পাকিস্তানি বাহিনীকে পরাজিত করা হয়। এই যুদ্ধে নায়েক উক্যা চিং মারমার নেতৃত্বে মুক্তিবাহিনী ও ভারতীয় বাহিনী একসাথে লড়াই করেছিল। তাঁর সাহসিকতা ও নেতৃত্বের জন্য তিনি বীর বিক্রম খেতাবে ভূষিত হন।
নায়েক উক্যা চিং মারমার জীবনী বিভিন্ন বইয়ে লিপিবদ্ধ করা হয়েছে। আয়ুব হোসেন ও চারু হকের ‘মুক্তিযুদ্ধে আদিবাসী’ এবং তপন কুমার দে’র ‘আদিবাসী মুক্তিযোদ্ধা’ বইগুলোতে তাঁর জীবনী ও মুক্তিযুদ্ধের অভিজ্ঞতা লিপিবদ্ধ করা হয়েছে।
ভুরুঙ্গামারির মুক্তিতে নায়েক উক্যা চিং মারমার অবদান অপরিসীম। তিনি একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে বাংলাদেশের ইতিহাসে স্থান করে নিয়েছেন। তাঁর সাহসিকতা ও নেতৃত্বের জন্য তিনি বীর বিক্রম খেতাবে ভূষিত হন।
ভুরুঙ্গামারির মুক্তিতে মুক্তিবাহিনী ও ভারতীয় বাহিনীর সম্মিলিত আক্রমণে পাকিস্তানি বাহিনীকে পরাজিত করা হয়। এই যুদ্ধে নায়েক উক্যা চিং মারমার নেতৃত্বে মুক্তিবাহিনী ও ভারতীয় বাহিনী একসাথে লড়াই করেছিল। তাঁর সাহসিকতা ও নেতৃত্বের জন্য তিনি বীর বিক্রম খেতাবে ভূষিত হন।



