ইসরায়েল সরকার কানাডা থেকে আগত একদল সাংসদকে পশ্চিম তীরে প্রবেশাধিকার দেওয়া অস্বীকার করেছে। এই সাংসদরা প্যালেস্টাইনি কর্মকর্তা ও মানবাধিকার সংগঠনের সাথে আলোচনা করার জন্য পশ্চিম তীরে যাচ্ছিলেন।
কানাডার জাতীয় মুসলিম কাউন্সিলের বরাত দিয়ে জানা যায়, কানাডার ছয় সাংসদ জর্ডান থেকে পশ্চিম তীরে যাচ্ছিলেন, কিন্তু ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ তাদের প্রবেশাধিকার অস্বীকার করে। এই সাংসদরা কানাডার মুসলিম ভোট সংগঠনের আয়োজনে একটি সফরে যাচ্ছিলেন।
ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ এই সাংসদদের প্রবেশাধিকার অস্বীকার করার কারণ হিসেবে জনসুরক্ষার হুমকি উল্লেখ করেছে। কানাডার জাতীয় মুসলিম কাউন্সিলের প্রধান স্টিফেন ব্রাউন এই সিদ্ধান্তকে অত্যন্ত বিষাদজনক ও নিরাশাজনক বলে অভিহিত করেছেন।
ইসরায়েলি সরকার পশ্চিম তীরে প্রবেশাধিকার নিয়ন্ত্রণ করে এবং প্রায়ই ইসরায়েলি নীতি ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের সমালোচকদের প্রবেশাধিকার অস্বীকার করে। এই ঘটনাটি কানাডা ও ইসরায়েলের মধ্যে সম্পর্কের উপর প্রভাব ফেলতে পারে।
কানাডার সরকার এই ঘটনার বিষয়ে এখনও কোনো মন্তব্য করেনি। ইসরায়েলি সরকারের এই সিদ্ধান্ত পশ্চিম তীরে মানবাধিকার পরিস্থিতির উপর আরও অবনতি ঘটাতে পারে।
এই ঘটনাটি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে এবং ইসরায়েলি সরকারের মানবাধিকার রেকর্ড নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে কানাডা ও ইসরায়েলের মধ্যে সম্পর্ক আরও উত্তপ্ত হতে পারে।
ইসরায়েলি সরকারের এই সিদ্ধান্ত পশ্চিম তীরে শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টাকে বাধাগ্রস্ত করতে পারে। এই ঘটনাটি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে এবং ইসরায়েলি সরকারের মানবাধিকার রেকর্ড নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।
এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে কানাডা ও ইসরায়েলের মধ্যে সম্পর্ক আরও উত্তপ্ত হতে পারে। ইসরায়েলি সরকারের এই সিদ্ধান্ত পশ্চিম তীরে শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টাকে বাধাগ্রস্ত করতে পারে।
ইসরায়েলি সরকারের এই সিদ্ধান্ত পশ্চিম তীরে মানবাধিকার পরিস্থিতির উপর আরও অবনতি ঘটাতে পারে। এই ঘটনাটি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে এবং ইসরায়েলি সরকারের মানবাধিকার রেকর্ড নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।
এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে কানাডা ও ইসরায়েলের মধ্যে সম্পর্ক আরও উত্তপ্ত হতে পারে। ইসরায়েলি সরকারের এই সিদ্ধান্ত পশ্চিম তীরে শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টাকে বাধাগ্রস্ত করতে পারে।
ইসরায়েলি সরকারের এই সিদ্ধান্ত পশ্চিম তীরে মানবাধিকার পরিস্থিতির উপর আরও অবনতি ঘটাতে পারে। এই ঘটনাটি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে এবং ইসরায়েলি সরকারের মানবাধিকার রেকর্ড নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।
এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে কানাডা ও ইসরায়েলের মধ্যে সম্পর্ক আরও উত্তপ্ত হতে পারে। ইসরায়েলি সরকারের এই সিদ্ধান্ত পশ্চিম তীরে শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টাকে বাধাগ্রস্ত করতে পারে।
ইসরায়েলি সরকারের এই সিদ্ধান্ত পশ্চিম তীরে মানবাধিকার পরিস্থিতির উপর আরও অবনতি ঘটাতে পারে। এই ঘটনাটি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দৃষ্টি আকর্ষ



