বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে এক সমাবেশে মন্তব্য করেছেন যে, ভারত ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধে সহযোগিতা করেছিল পাকিস্তানের কাছে ১৯৬৫ সালের যুদ্ধে পরাজয়ের প্রতিশোধ নিতে।
তিনি বলেন, ভারত বাংলাদেশের স্বাধীনতার জন্য নয়, বরং পাকিস্তানের সঙ্গে ১৯৬৫ সালের যুদ্ধে লজ্জাজনক পরাজয়ের প্রতিশোধ নিতে আমাদের সহযোগিতা করেছিল। তারা বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের স্বীকৃতি না দিয়ে আওয়ামী-বাকশালীদের মাধ্যমে দেশকে করদ রাজ্যে পরিণত করার পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করেছিল।
মিয়া গোলাম পরওয়ার আরও বলেন, ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর পাক বাহিনী আমাদের ওপর চালানো জুলুম-নির্যাতনের দায় স্বীকার করে আত্মসমর্পণ করেছিল। কিন্তু প্রতিবেশী রাষ্ট্রের আধিপত্যবাদী মনোভাব এবং তাদের দেশীয় সহযোগীদের কারণে আমরা বিজয়ের পূর্ণ স্বাদ গ্রহণ করতে পারিনি এবং স্বাধীনতাও পুরোপুরি সুরক্ষিত হয়নি।
সমাবেশে জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি এহসানুল মাহবুব জুবায়েরের সভাপতিত্বে এবং ঢাকা মহানগরী উত্তরের সহকারী সেক্রেটারি ফখরুদ্দীন মানিকের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য সাইফুল আলম খান মিলন, মোবারক হোসাইনসহ অন্যান্য নেতারা।
মিয়া গোলাম পরওয়ারের এই মন্তব্য বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে উল্লেখযোগ্য প্রভাব বিস্তার করতে পারে। তার কথাগুলো দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রতি জনগণের মনোযোগ আকর্ষণ করবে এবং দেশের রাজনৈতিক নেতাদের মধ্যে বিতর্কের সৃষ্টি করবে।
এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে, বাংলাদেশের রাজনৈতিক দৃশ্যপট আরও জটিল হবে এবং দেশের ভবিষ্যত নিয়ে প্রশ্ন তুলবে। মিয়া গোলাম পরওয়ারের মন্তব্য বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা হিসেবে চিহ্নিত হবে।
এই ঘটনার পর, বাংলাদেশের রাজনৈতিক নেতারা তাদের অবস্থান পর্যালোচনা করবেন এবং দেশের ভবিষ্যত নিয়ে নতুন কৌশল গ্রহণ করবেন। মিয়া গোলাম পরওয়ারের মন্তব্য বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা করবে।
এই ঘটনার প্রেক্ষিতে, বাংলাদেশের জনগণ তাদের রাজনৈতিক নেতাদের প্রতি আরও সচেতন হবেন এবং দেশের ভবিষ্যত নিয়ে আরও সক্রিয় হবেন। মিয়া গোলাম পরওয়ারের মন্তব্য বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে চিহ্নিত হবে।
সবশেষে, মিয়া গোলাম পরওয়ারের মন্তব্য বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে একটি নতুন মোড় সৃষ্টি করবে। এই ঘটনার পর, বাংলাদেশের রাজনৈতিক নেতারা তাদের অবস্থান পর্যালোচনা করবেন এবং দেশের ভবিষ্যত নিয়ে নতুন কৌশল গ্রহণ করবেন।



