অস্ট্রেলিয়ার সিডনির বন্ডি সমুদ্র সৈকতে একটি ভয়াবহ গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় অন্তত ১৫ জন নিহত হয়েছে। কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে যে হামলাকারীদের একজন ভারতীয় নাগরিক।
হামলাকারীর নাম সাজিদ আকরাম, যিনি ভারতের তেলেঙ্গানা রাজ্যের হায়দ্রাবাদ শহরের বাসিন্দা ছিলেন। তিনি ১৯৯৮ সালে অস্ট্রেলিয়ায় স্টুডেন্ট ভিসায় যান এবং পরে সেখানে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেন।
সাজিদ আকরামের ছেলে নাভিদ আকরাম আহত অবস্থায় বেঁচে আছেন এবং বর্তমানে পুলিশ পাহারায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে যে হামলার সময় পুলিশের পাল্টা গুলিতে সাজিদ আকরাম নিহত হন।
অস্ট্রেলিয়ান পুলিশ জানিয়েছে যে বাবা ও ছেলে গত মাসে ফিলিপিন্স সফর করেছিলেন। সে সময় সাজিদের কাছে ছিল ভারতীয় পাসপোর্ট এবং নাভিদের কাছে অস্ট্রেলিয়ান পাসপোর্ট। ওই সফরের উদ্দেশ্য, কোনও সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর সঙ্গে সম্পৃক্ততা বা প্রশিক্ষণ গ্রহণের বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
তেলেঙ্গানা পুলিশ জানিয়েছে যে ১৯৯৮ সালের পর থেকে সাজিদ আকরাম মোট ছয়বার ভারত সফর করেছিলেন, যার বেশিরভাগই ছিল পারিবারিক কারণে।
অস্ট্রেলিয়ান কর্তৃপক্ষ একে গত প্রায় তিন দশকের মধ্যে দেশের সবচেয়ে ভয়াবহ গণ-গুলিবর্ষণের ঘটনা হিসেবে উল্লেখ করেছে। হামলাটি ইহুদি সম্প্রদায়কে লক্ষ্য করে চালানো একটি ‘সন্ত্রাসী হামলা’ কি না, সে বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, হামলার সময় পুলিশের পাল্টা গুলিতে ঘটনাস্থলেই নিহত হন সাজিদ আকরাম। তার সঙ্গে থাকা ছেলে নাভিদ আকরাম আহত অবস্থায় বেঁচে যান এবং বর্তমানে পুলিশ পাহারায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
কে এই সাজিদ আকরাম?
তেলেঙ্গানার পুলিশ মহাপরিচালক জানিয়েছেন, সাজিদ আকরাম ১৯৯৮ সালের নভেম্বরে স্টুডেন্ট ভিসায় অস্ট্রেলিয়ায় যান। তার আগে তিনি হায়দ্রাবাদ থেকে বাণিজ্যে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেছিলেন। পরবর্তী সময়ে তিনি অস্ট্রেলিয়ায় স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেন।
প্রায় ২৭ বছর অস্ট্রেলিয়ায় অবস্থান করলেও এই সময়ের মধ্যে ভারতে থাকা পরিবারের সঙ্গে তার যোগাযোগ খুবই সীমিত ছিল বলে জানিয়েছে পুলিশ। জানা গেছে, পারিবারিক বিরোধের জেরে কয়েক বছর আগে পরিবারের সঙ্গে তার সম্পর্ক বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এমনকি ২০১৭ সালে বাবার জানাজাতেও তিনি উপস্থিত ছিলেন না।
অস্ট্রেলিয়ায় যাওয়ার পর সাজিদ আকরাম ভেনেরা গ্রোসো নামে ইউরোপীয় বংশোদ্ভূত এক নারীকে বিয়ে করেন। পরিবারটি দীর্ঘদিন ধরে অস্ট্রেলিয়ায় বসবাস করছিল।
অস্ট্রেলিয়ান পুলিশ জানিয়েছে, বাবা ও ছেলে গত মাসে ফিলিপিন্স সফর করেছিলেন। সে সময় সাজিদের কাছে ছিল ভারতীয় পাসপোর্ট এবং নাভিদের কাছে অস্ট্রেলিয়ান পাসপোর্ট। ওই সফরের উদ্দেশ্য, কোনও সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর সঙ্গে সম্পৃক্ততা বা প্রশিক্ষণ গ্রহণের বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
তেলেঙ্গানা পুলিশ জানিয়েছে, ১৯৯৮ সালের পর থেকে সাজিদ আকরাম মোট ছয়বার ভারত সফর করেছ



