কক্সবাজার জেলায় জলাতঙ্ক রোগ নির্মূলের লক্ষ্যে ৩৫ হাজার কুকুরকে টিকা দেওয়ার একটি কর্মসূচি শুরু হয়েছে। এই কর্মসূচি ১৪ ডিসেম্বর থেকে শুরু হয়েছে এবং ৫ দিন ধরে চলবে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে প্রশিক্ষিত টিম এই কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করছে।
জেলার বিভিন্ন এলাকায় এই টিকা দেওয়ার জন্য মোট ১২টি টিম কাজ করছে। প্রতিটি টিমে ৪ জন করে মোট ৪৮ জন ভলেন্টিয়ার কাজ করছেন। টিকা দেওয়ার পর প্রতিটি কুকুরের শরীরে লাল রঙ দিয়ে চিহ্নিত করা হচ্ছে।
পৌরসভার সমাজ উন্নয়ন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, পৌরসভা এলাকায় বেওয়ারিশ কুকুরের উৎপাত বেড়ে যাচ্ছিল। এই ব্যাপারে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে চিঠি দেওয়ার পর একটি টিম পৌরসভায় আসে। গত রবিবার থেকে পৌরসভার বিভিন্ন ওয়ার্ডে জলাতঙ্ক রোগ নির্মূলে প্রতিষেধক টিকা দেওয়ার কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
পৌরসভা সূত্রে জানা যায়, গত ২০২৩ সালে পৌরসভা এলাকার ১২টি ওয়ার্ডে ২ হাজার ৬০০ কুকুরকে জলাতঙ্ক রোগের প্রতিষেধক টিকা দেওয়া হয়েছিল। পরে পৌরসভা এলাকায় বেওয়ারিশ কুকুরের উৎপাত বাড়তে থাকে। বর্তমানে পৌরসভায় ৫ কুকুরের প্রাথমিক তালিকা তৈরি করেছে পৌরসভা।
সিভিল সার্জন জানিয়েছেন, প্রথমধাপে চারটি উপজেলায় এই টিকা দেওয়া হচ্ছে। সদর, রামু, পেকুয়া ও কুতুবদিয়া উপজেলায় এই ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছে। জেলার ৩৫ হাজার কুকুরকে জলাতঙ্ক রোগের টিকা দেওয়া হবে। আগামী ২১ ডিসেম্বর থেকে ২৮ ডিসেম্বর চকরিয়া, মহেশখালী, উখিয়া, ঈদগাঁ ও টেকনাফ উপজেলায় দ্বিতীয় ধাপে এই ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত হবে।
এই কর্মসূচির মাধ্যমে জেলার কুকুরগুলোকে জলাতঙ্ক রোগের টিকা দেওয়া হচ্ছে। এই টিকা দেওয়ার ফলে জেলার মানুষের স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে। জেলার সকল মানুষকে এই কর্মসূচিতে সহযোগিতা করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
জলাতঙ্ক রোগ একটি মারাত্মক রোগ যা মানুষ ও পশুকে আক্রান্ত করতে পারে। এই রোগ প্রতিরোধে টিকা দেওয়া একটি কার্যকর উপায়। জেলার সকল মানুষকে এই কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করার এবং জলাতঙ্ক রোগ প্রতিরোধে সহযোগিতা করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
জেলার স্বাস্থ্য বিভাগ এই কর্মসূচির জন্য প্রস্তুতি নিয়েছে। জেলার সকল মানুষকে এই কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করার এবং জলাতঙ্ক রোগ প্রতিরোধে সহযোগিতা করার আহ্বান জানানো হয়েছে। এই কর্মসূচির মাধ্যমে জেলার মানুষের স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে।



