ব্রাসেলসের একটি যাদুঘর থেকে একটি মূল্যবান শিল্পকর্ম চুরি হয়েছে। ১৯৭১ সালের ১লা অক্টোবর রাতে ব্রাসেলসের একটি সংবাদপত্রের একজন সাংবাদিকের কাছে একটি অজানা ফোন কল আসে। ফোন কলের পাত্রটি নিজেকে থিল ভন লিমবার্গ বলে পরিচয় দেয় এবং জানায় যে তিনি কয়েকদিন আগে ব্রাসেলসের একটি যাদুঘর থেকে জোহানেস ভারমিরের একটি শিল্পকর্ম চুরি করেছেন।
চুরি করা শিল্পকর্মটি হল ভারমিরের একটি বিখ্যাত সৃষ্টি, যা ১৭শ শতকে আঁকা হয়েছিল। এই শিল্পকর্মটি ব্রাসেলসের একটি যাদুঘরে প্রদর্শিত হচ্ছিল, যেখানে এটি একটি বিশেষ প্রদর্শনীতে রাখা হয়েছিল। প্রদর্শনীটি ছিল রেমব্রান্ট এবং তার সময়ের উপর। এই প্রদর্শনীতে ভারমিরের শিল্পকর্মটি ছাড়াও অন্যান্য বিখ্যাত শিল্পকর্মও প্রদর্শিত হচ্ছিল।
চুরি করা শিল্পকর্মটির মূল্য ছিল প্রায় ২৫০ মিলিয়ন ফ্রাঙ্ক। চুরি করার পর থিল ভন লিমবার্গ যাদুঘর কর্তৃপক্ষকে জানায় যে তিনি শিল্পকর্মটি ফেরত দেবেন, যদি তারা একটি রয়েছেন পরিমাণ অর্থ প্রদান করেন। তিনি জানান যে অর্থটি পূর্ব পাকিস্তানের শরণার্থীদের সাহায্যার্থে ব্যবহার করা হবে।
থিল ভন লিমবার্গ নিজেকে একজন শিল্পপ্রেমী বলে পরিচয় দেন। তিনি জানান যে তিনি একজন পেশাদার চোর নন, বরং একজন শিল্পপ্রেমী যিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতার জন্য কাজ করছেন।
এই ঘটনাটি খুবই অসাধারণ এবং বিস্ময়কর। এটি দেখায় যে কিভাবে একজন শিল্পপ্রেমী একটি দেশের স্বাধীনতার জন্য কাজ করতে পারে। এই ঘটনাটি আমাদেরকে চিন্তা করতে বাধ্য করে যে শিল্প এবং রাজনীতির মধ্যে কি ধরনের সম্পর্ক আছে।
এই ঘটনার পর থিল ভন লিমবার্গকে আদালতে হাজির করা হয়। তাকে চুরির অভিযোগে বিচার করা হয়। এই বিচারের ফলাফল কি হবে তা এখনও অনিশ্চিত।
এই ঘটনাটি আমাদেরকে শিল্প এবং রাজনীতির মধ্যে সম্পর্ক সম্পর্কে চিন্তা করতে বাধ্য করে। এটি আমাদেরকে বুঝতে সাহায্য করে যে কিভাবে শিল্প একটি দেশের স্বাধীনতার জন্য কাজ করতে পারে। এই ঘটনাটি আমাদেরকে চিন্তা করতে বাধ্য করে যে শিল্প এবং রাজনীতির মধ্যে কি ধরনের সম্পর্ক আছে এবং কিভাবে শিল্প একটি দেশের স্বাধীনতার জন্য কাজ করতে পারে।



