মহান বিজয় দিবসের তাৎপর্য নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার লক্ষ্যে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী আয়োজিত এক যুব ম্যারাথনে ঢাকায় লাখো নেতাকর্মী অংশগ্রহণ করেছে। এই ম্যারাথনটি সোহরাওয়ার্দী উদ্যান থেকে শুরু হয়ে শাহবাগ মোড় ও সায়েন্সল্যাব অতিক্রম করে জাতীয় সংসদ ভবনের পাশের মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে গিয়ে শেষ হয়।
মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) সকাল ৮টায় এই ম্যারাথন শুরু হয়। জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান ম্যারাথনের উদ্বোধন করেন। উদ্বোধনের আগেই দলটির বিভিন্ন স্তরের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী ও সমর্থকরা সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জড়ো হন, এতে করে পুরো এলাকা উৎসবমুখর পরিবেশে পরিণত হয়।
জামায়াত সূত্র জানায়, বিজয় দিবসের এই যুব ম্যারাথনে রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন এলাকা থেকে বিপুলসংখ্যক তরুণ অংশ নেন। তরুণদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে কর্মসূচিটি এক বৃহৎ জনসমাবেশে রূপ নেয়।
ম্যারাথনটি শুরু হওয়ার পর অংশগ্রহণকারীরা জাতীয় পতাকা ও বিভিন্ন স্লোগানসংবলিত ব্যানার হাতে নিয়ে পুরো পথ ধরে এগিয়ে যান। অনুষ্ঠানে জামায়াতে ইসলামীর নির্বাহী পরিষদের সদস্যরা ছাড়াও ঢাকা মহানগরী উত্তর ও দক্ষিণের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন। তারা যুবসমাজের ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং বিজয় দিবসকে ঘিরে নতুন প্রজন্মের রাজনৈতিক সচেতনতার প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন।
আয়োজকদের ভাষ্য, এই যুব ম্যারাথনের মাধ্যমে বিজয় দিবসের তাৎপর্য নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরা এবং দেশের রাজনীতি ও ভবিষ্যৎ নির্মাণে তরুণদের সক্রিয় অংশগ্রহণে উদ্বুদ্ধ করাই মূল লক্ষ্য। এই ম্যারাথনের মাধ্যমে জামায়াতে ইসলামী তরুণদের মধ্যে রাজনৈতিক সচেতনতা বৃদ্ধি এবং দেশের উন্নয়নে তাদের ভূমিকা সম্পর্কে সচেতন করার চেষ্টা করেছে।
এই ম্যারাথনে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে বিভিন্ন বয়সের লোক ছিল। তারা সবাই একটা উদ্দেশ্য নিয়ে একত্রিত হয়েছিল, যা হলো বিজয় দিবসের তাৎপর্য সম্পর্কে সচেতন হওয়া এবং দেশের রাজনীতিতে তরুণদের ভূমিকা সম্পর্কে জানা। এই ম্যারাথনের মাধ্যমে জামায়াতে ইসলামী তরুণদের মধ্যে রাজনৈতিক সচেতনতা বৃদ্ধি এবং দেশের উন্নয়নে তাদের ভূমিকা সম্পর্কে সচেতন করার চেষ্টা করেছে।
এই ম্যারাথনের মাধ্যমে জামায়াতে ইসলামী তরুণদের মধ্যে রাজনৈতিক সচেতনতা বৃদ্ধি এবং দেশের উন্নয়নে তাদের ভূমিকা সম্পর্কে সচেতন করার চেষ্টা করেছে। এই ম্যারাথনে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে বিভিন্ন বয়সের লোক ছিল। তারা সবাই একটা উদ্দেশ্য নিয়ে একত্রিত হয়েছিল, যা হলো বিজয় দিবসের তাৎপর্য সম্পর্কে সচেতন হওয়া এবং দেশের রাজনীতিতে তরুণদের ভূমিকা সম্পর্কে জানা।
এই ম্যারাথনের মাধ্যমে জামায়াতে ইসলামী তরুণদের মধ্যে রাজনৈতিক সচেতনতা বৃদ্ধি এবং দেশের উন্নয়নে তাদের ভূমিকা সম্পর্কে সচেতন করার চেষ্টা করেছে। এই ম্যারাথনে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে বিভিন্ন বয়সের লোক ছিল। তারা সবাই



