টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের প্রধান গেটের কাছে ময়লার ভাগাড়ে আবর্জনা ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন রোগী, স্বজন ও পথচারীরা। প্লাস্টিক, পচা ফল ও বিভিন্ন মেডিকেল বর্জ্যে চারপাশে তীব্র দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে, যা পরিবেশ দূষণের পাশাপাশি সংক্রমণের ঝুঁকিও বাড়াচ্ছে।
হাসপাতালের পশ্চিম পাশে প্রধান গেটের কাছে ময়লার স্তূপে মশা-মাছি ও পোকামাকড় ভনভন করছে। রোগীর স্বজনরা নাকে কাপড় চেপে হাসপাতালে প্রবেশ করছেন। হাসপাতালের ১৫ তলা ভবনের প্রতিটি সিঁড়ির মুখে পানের পিক ও ব্যবহৃত বাথরুমের ময়লা-আবর্জনায় ভরে আছে।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, এসব বর্জ্য হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ, রোগীর স্বজন এবং হাসপাতালের পাশে থাকা অস্থায়ী টং দোকানিরা ফেলছেন। পরিচ্ছন্ন কর্মীদের অবহেলাতেও প্রতিনিয়ত ময়লা ও মেডিকেল বর্জ্য জমে থাকছে। রোগী ও স্বজনদের অভিযোগ, হাসপাতালের প্রবেশমুখে এমন নোংরা পরিবেশ মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
হাসপাতালের বাইরে চায়ের দোকানি ও ফল বিক্রেতারা জানান, দুর্গন্ধের কারণে ক্রেতারা চা-বিস্কুট বা ফল খেতে পারেন না, ফলে তাদের ব্যবসাও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক জানান, হাসপাতালের ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কার করা একটি নিয়মিত কার্যক্রম। তবে কিছু জায়গায় সাময়িকভাবে ময়লার স্তূপ জমে যায়।
পরিচালক আরও জানান, বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখা হচ্ছে এবং অচিরেই পরিস্থিতির উন্নতি হবে বলে তিনি আশ্বাস দেন। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে দ্রুত নিয়মিত বর্জ্য অপসারণ ও পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করার দাবি জানান রোগী ও স্বজনরা। এই সমস্যা সমাধানের জন্য সকলকে সমন্বিত প্রচেষ্টা গ্রহণ করা উচিত।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ধরনের পরিবেশ দূষণ সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ায়। তাই হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে দ্রুত এই সমস্যা সমাধানের জন্য পদক্ষেপ নেওয়া উচিত। রোগী ও স্বজনদের স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব।
সুতরাং, টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিবেশ দূষণ সমস্যা সমাধানের জন্য সকলকে সমন্বিত প্রচেষ্টা গ্রহণ করা উচিত। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে দ্রুত নিয়মিত বর্জ্য অপসারণ ও পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করা উচিত। এতে রোগী ও স্বজনদের স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে।



