জুলাই আন্দোলনের একাধিক হত্যা মামলার আসামি সাবেক সংসদ সদস্য একেএম সেলিম ওসমানকে খুঁজতে তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে পুলিশ অভিযান চালিয়েছে। সোমবার রাত ১০টার দিকে ফতুল্লার উইজডম অ্যাটায়ার্স লিমিটেড কারখানায় ফতুল্লা মডেল থানার একটি দল অভিযান চালায়। তবে সেখানে সেলিম ওসমানকে পাওয়া যায়নি।
জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তারেক আল মেহেদী জানান, কয়েক দিন ধরেই আলোচনা চলছিল যে সেলিম ওসমান নারায়ণগঞ্জে আছেন এবং তিনি তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানেও যান। কিন্তু পুলিশের গোয়েন্দা তথ্য বলছে যে এ তথ্য সঠিক নয়। তারপরও যেহেতু আলোচনা রয়েছে, তাই পুলিশ অভিযান চালায়। কিন্তু সেখানে সেলিম ওসমানকে পাওয়া যায়নি।
সেলিম ওসমান নারায়ণগঞ্জের প্রভাবশালী ওসমান পরিবারের সদস্য। তিনি তার বড়ভাই নাসিম ওসমানের মৃত্যুর পর ২০১৪ সালে উপনির্বাচনে নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে জাতীয় পার্টির মনোনয়নে নির্বাচনে অংশ নিয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। পরে ২০১৮ ও ২০২৪ সালেও একই আসনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন জাতীয় পার্টির এ প্রেসিডিয়াম সদস্য।
জুলাই হত্যাকাণ্ডের মামলার আসামি সেলিম ওসমান ‘দেশেই আছেন’ কিন্তু তিনি ‘আত্মগোপনে’ রয়েছেন উল্লেখ করে পুলিশ কর্মকর্তা আরও বলেন, ‘তাকে গ্রেপ্তারে পুলিশ তৎপর রয়েছে। অবস্থান নিশ্চিত করা গেলেই তাকে গ্রেপ্তার করা হবে।’
গণঅভ্যুত্থানের পরপরই স্থানীয় রাজনীতিকদের অনেকে ওসমান পরিবারের সদস্যদের গ্রেপ্তারের দাবি জানালেও সম্প্রতি ওই দাবি আরও জোরালো হয়েছে। গত শনিবার জাতীয় নাগরিক পার্টির এক নেতার ফেসবুক পোস্টের পর এ আলোচনা আরও বাড়ে।
জাতীয় নাগরিক পার্টির দক্ষিণাঞ্চলের সংগঠক শওকত আলী ফেসবুক পোস্টে দাবি করেন, জুলাই আন্দোলনে হামলা ও হত্যার অভিযোগে বেশ কয়েকটি মামলার আসামি হয়েও স্থানীয় এক ‘বিএনপি প্রার্থীর আশ্রয়ে’ নারায়ণগঞ্জের সাবেক সংসদ সদস্য এ কে এম সেলিম ওসমান ‘বিনা বাধায় অফিস ও ব্যবসা করছেন’। তার দাবি, প্রশাসন এ তথ্য জানলেও ব্যবস্থা নিচ্ছে না।
সেলিম ওসমান নারায়ণগঞ্জের প্রভাবশালী ওসমান পরিবারের সদস্য। তিনি তার বড়ভাই নাসিম ওসমানের মৃত্যুর পর ২০১৪ সালে উপনির্বাচনে নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে জাতীয় পার্টির মনোনয়নে নির্বাচনে অংশ নিয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। পরে ২০১৮ ও ২০২৪ সালেও একই আসনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন জাতীয় পার্টির এ প্রেসিডিয়াম সদস্য।
পুলিশ কর্মকর্তা তারেক আল মেহেদী জানান, সেলিম ওসমানকে গ্রেপ্তারে পুলিশ তৎপর রয়েছে। অবস্থান নিশ্চিত করা গেলেই তাকে গ্রেপ্তার করা হবে। তিনি আরও বলেন, সেলিম ওসমান ‘দেশেই আছেন’ কিন্তু তিনি ‘আত্মগোপনে’ রয়েছেন।
গণঅভ্যুত্থানের পরপরই স্থানীয় রাজনীতিকদের অনেকে ওসমান পরিবারের সদস্যদের গ্রেপ্তারের দাবি জানালেও সম্প্রতি ওই দাবি আরও জোরালো হয়েছে। গত শনিবার জাতীয় নাগরিক পার্টির এক নেতার ফেসবুক পোস্টের পর এ আলোচনা আরও বাড়ে।
জাতীয় নাগরিক পার্টির দক্ষিণাঞ্চলের সং



