ভেনেজুয়েলার সরকার ইউরোপীয় কাউন্সিলের সিদ্ধান্তের তীব্র সমালোচনা করেছে, যেখানে দেশটির বিরুদ্ধে নতুন করে অবধি ২০২৭ পর্যন্ত নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। ভেনেজুয়েলার সরকার এই সিদ্ধান্তকে ‘সম্পূর্ণ ব্যর্থ’ বলে অভিহিত করেছে।
এই নিষেধাজ্ঞাগুলি ২০১৭ সালে প্রথম আরোপ করা হয়েছিল, যার মধ্যে রয়েছে ভেনেজুয়েলায় অস্ত্র সরবরাহের উপর নিষেধাজ্ঞা, সরকারী কর্মকর্তা, সামরিক বাহিনীর সদস্য এবং বিচারকদের উপর ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা এবং সম্পদ জব্দ। ভেনেজুয়েলার পররাষ্ট্র মন্ত্রী ইভান গিল পিন্টোর একটি বিবৃতিতে বলা হয়েছে যে এই নিষেধাজ্ঞাগুলি বল প্রয়োগের মাধ্যমে এবং আন্তর্জাতিক আইনের বিরুদ্ধে।
ইউরোপীয় কাউন্সিল সোমবার ভেনেজুয়েলার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপের সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যা ১০ই জানুয়ারি ২০২৭ পর্যন্ত কার্যকর থাকবে। এই সিদ্ধান্তের কারণ হিসেবে গণতন্ত্র ও আইনের শাসনের প্রতি স্থায়ী হুমকি এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ করা হয়েছে। ভেনেজুয়েলার সরকার এই অভিযোগগুলিকে প্রত্যাখ্যান করেছে এবং বলেছে যে এই নিষেধাজ্ঞাগুলি ‘ব্যর্থ’ এবং ‘অকার্যকর’।
ইউরোপীয় কাউন্সিলের এই সিদ্ধান্ত একটি সময়ে এসেছে যখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন ভেনেজুয়েলার বিরুদ্ধে সামরিক হুমকি বাড়িয়েছে। ভেনেজুয়েলার সরকার এই হুমকিগুলিকে ‘অযৌক্তিক’ এবং ‘অগণতান্ত্রিক’ বলে অভিহিত করেছে।
এই পরিস্থিতির ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক প্রভাব সম্পর্কে ভেনেজুয়েলার সরকার বলেছে যে তারা এই নিষেধাজ্ঞাগুলির বিরুদ্ধে লড়াই করবে এবং তাদের দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা করবে। ভেনেজুয়েলার সরকার এই নিষেধাজ্ঞাগুলিকে ‘অন্যায়’ এবং ‘অবৈধ’ বলে অভিহিত করেছে।
এই পরিস্থিতি ভেনেজুয়েলা এবং ইউরোপীয় কাউন্সিলের মধ্যে উত্তেজনা বাড়িয়ে দিয়েছে। ভেনেজুয়েলার সরকার এই নিষেধাজ্ঞাগুলির বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সমর্থন চাইছে। এই পরিস্থিতির ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক প্রভাব সম্পর্কে ভেনেজুয়েলার সরকার বলেছে যে তারা এই নিষেধাজ্ঞাগুলির বিরুদ্ধে লড়াই করবে এবং তাদের দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা করবে।



