ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি ঘোষণা করেছেন যে তিনি ন্যাটো সদস্যপ্রার্থীতা প্রত্যাহার করতে রাজি হয়েছেন, যদি পশ্চিমা দেশগুলো তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে। এই ঘোষণাটি এসেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় দেশগুলোর সাথে আলোচনার মধ্যে, যার লক্ষ্য রাশিয়ার সাথে ইউক্রেনের যুদ্ধ শেষ করা।
ইউক্রেনের এই সিদ্ধান্তটি একটি বড় পরিবর্তন, কারণ দেশটি বহু বছর ধরে ন্যাটো সদস্যপ্রার্থীতা চাচ্ছিল। জেলেনস্কি বলেছেন যে তারা এখন পশ্চিমা দেশগুলোর কাছ থেকে ন্যাটো সদস্য দেশগুলোর মতো নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চায়।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইউক্রেনের ন্যাটো সদস্যপ্রার্থীতার বিরোধী ছিলেন। তিনি ইউক্রেনকে রাশিয়ার সাথে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করতে চাপ দিয়েছিলেন, যা রাশিয়ার পক্ষে ছিল।
জেলেনস্কি বলেছেন যে ইউক্রেন এখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং অন্যান্য দেশগুলোর সাথে একটি ২৮ দফা পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করছে, যার লক্ষ্য একটি যুদ্ধবিগ্রহ ঘটানো। তিনি বলেছেন যে ইউক্রেন রাশিয়ার সাথে সরাসরি আলোচনা করছে না।
রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বহুবার বলেছেন যে ইউক্রেনের ন্যাটো সদস্যপ্রার্থীতা রাশিয়ার নিরাপত্তার জন্য হুমকি। জেলেনস্কি বলেছেন যে ইউক্রেন এখন পশ্চিমা দেশগুলোর কাছ থেকে ন্যাটো সদস্য দেশগুলোর মতো নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চায়, যাতে রাশিয়ার আক্রমণ রোধ করা যায়।
এই সিদ্ধান্তের ফলে ইউক্রেনের রাজনৈতিক পরিস্থিতি কেমন হবে তা এখনও অস্পষ্ট। কিন্তু এটা নিশ্চিত যে ইউক্রেনের ন্যাটো সদস্যপ্রার্থীতা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত একটি বড় পরিবর্তন আনবে দেশটির রাজনৈতিক দৃশ্যপটে।
ইউক্রেনের এই সিদ্ধান্তের পর রাশিয়ার প্রতিক্রিয়া কেমন হবে তা এখনও অস্পষ্ট। কিন্তু এটা নিশ্চিত যে রাশিয়া ইউক্রেনের ন্যাটো সদস্যপ্রার্থীতা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্তকে একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে দেখবে।
ইউক্রেনের ন্যাটো সদস্যপ্রার্থীতা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্তের ফলে ইউরোপীয় রাজনৈতিক দৃশ্যপটে কেমন পরিবর্তন আসবে তা এখনও অস্পষ্ট। কিন্তু এটা নিশ্চিত যে ইউক্রেনের এই সিদ্ধান্ত ইউরোপীয় রাজনৈতিক দৃশ্যপটে একটি বড় পরিবর্তন আনবে।



